অহিংস বিপ্লবীগণ

29 August 2019
Author :  

[ এই গল্পটি হিন্দু উগ্রপন্থীদের দ্বারা নিহত ভারতীয় সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ ও লেখক এম এম কালবুর্গীকে উৎসর্গকৃত - তারিক সামিন। ] 

 

বিপ্লবী চুনি লাল দত্তের বাড়ী চট্টগ্রামের পাহারপুড়ে। অবিভক্ত ভারতীয় উপ-মহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে অসংখ্যবার জেল খেটেছেন। অহিংস আন্দোলনে মহাত্মা গান্ধী, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের অনুসারী ছিলেন। বেতের সোফার উপর পা তুলে, আরাম করে বসে, কথা বলছিলেন তিনিঃ-

“সময়টা ১৯১৩ সাল। আমি তখন কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র। আমার ভাইয়ের মেয়ে ‘ইন্দু’র নয় বৎসর বয়সে বিয়ে হলো। ইন্দু তখনও নাবালিকা, দেখতে পাতলা গরনের, মাথায় খাটো চুল, মুখটা শিশু সুলভ, আচরণেও শিশু।

আমাকে বলতো, ‘ছোট কাকু আমার পুতুলের বিয়ে। কলকাতা থেকে শাড়ী কিনে এনো পুতুলের জন্যে।’

ওর ছবি আকার দারুন ঝোক। মাটিতে, গাছের পাতায়, কাগজে সুন্দর সব ছবি আঁকে সে।

বিয়েতে ব্যাপক উৎসব হল। আলোক বাতি আর পটকার শব্দ, অতিথির শোরগোল আর দাদা-বৌদির ব্যস্ততা। আমি অনেকটা হতভম্ভের মতো, যা বলা হচ্ছে, তাই করছি। বাল্যবিবাহ তখনকার সামাজিক রীতি। আবহমান কাল থেকে তা হয়ে আসছে।

আমাদের পরিবার গোড়া ব্রাহ্মণ। শাস্ত্রের একটু নড়চড় হলে, তা নিয়ে লংকা কান্ড বাধে। কৈশোরে আমিও সনাতন হিন্দু ধর্মের মহত্ব ও আদর্শ রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলাম। যৌবনের শুরুতে গল্প, উপন্যাস, কবিতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি, ইতিহাস, রাজনীতি, দর্শন। মানে যা বই পেতাম, তাই পড়তাম। পড়তে পড়তে নিজের ভেতর একটা আত্ম-দর্শন, মানব ধর্ম জেগে উঠলো। আস্তে আস্তে নিজের, সমাজের দুর্বল দিকগুলো চোখে ফুটে উঠলো।

বাল্য বিবাহটা আমার কাছে নোংরামি মনেহয়। একটা শিশু তার আবার বিয়ে, সংসার, দাম্পত্য জীবন! ইন্দু আমার নিজের মেয়ে নয়, উপরন্ত বিষয় সম্পত্তি দাদা, মানে আমার বড় ভাই দেখা শোনা করে। আমার পড়ার খরচ চালায়। তাদের উপর কথা বলা চলে না।

রাগে, অভিমানে কলকাতা ফিরে এলাম। মনের মধ্য শুধু একটা কচি মুখ। পুতুলের দোকানের সামনে দিয়ে গেলে বুকটা ব্যাথায় টনটন করে উঠতো ।

এমন সময় চিঠি এলো, মাদ্রাজ যেতে হবে পার্টির কাজে।

 

মাদ্রাজ থেকে দু'শো মাইল দুরে ‘পেরামবুর’ একটি গ্রাম। ওখানকার মানুষের গায়ের রং আমাদের বাঙ্গালীদের থেকে বেশ কালো। গ্রামে আদিবাসী আর কিছু হিন্দু পরিবারের বসবাস। তখনও সেখানকার নারীরা উর্ধ্ব-অঙ্গে কোন কাপড় পড়তো না।

গ্রামের বেশীর ভাগ বাড়ীই খড় বা মাটির তৈরী। সারি-সারি নারিকেল গাছ। বন, ঝোপ-জঙ্গল, চারিদিকে সবুজের সমারোহ। পুকুর, নদী-নালাও প্রচুর। প্রথম দর্শনেই গ্রামটা খুব ভালো লাগলো।

আমরা চারজন, আমি, আমার বন্ধু সত্যানন্দ, মুকুর রায় আর সারাভানান।

সারাভানান মাদ্রাজের ছেলে। তখন ওর বয়স ২৮ বৎসর। কৃষ্ণ বর্ণ, মাঝারী উচ্চতা, মোটা পেটানো শরীর, কালো কোঁকরানো চুল। হেসে হেসে ইংরেজীতে কথা বলতো সে । হিন্দি বা বাঙলা জানতো না। মাদ্রাজ মেডিকেল কলেজের ডাক্তার। তার অনুরোধেই সেখানে যাওয়া। সারাভানান পার্টির মাধমে আমাদের ডেকেছে, উদ্দেশ্য সহমরণ বন্ধ করা।

গ্রামের মানুষগুলোকে দেখে খুব বদরাগী মনে হলো। তাদের বিশাল বপু শরীর, মোটা ভুরু, চওড়া কাধঁ । উচ্চ স্বরে কথার ধরণ দেখে কিছুটা আতঙ্ক হল। কিন্তু সারাভানান এর ডাক্তার হিসাবে খুব সুনাম। দুর-দুরান্তে অনেকেই তাকে চেনে । আমরা অবিভক্ত ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের কর্মী। তাই ব্রিটিশ উপনৈবেশিক প্রশাসন বা পুলিশের সাহায্য পাওয়া দূরহ।

সারাভানানকে বললাম, ‘আমাদের স্থানীয় মানুষের সাহায্যে নিয়েই এগুতে হবে’।

সারাভানান বললো, ‘স্থানীয় যুবকেরা অশিক্ষিত, কুশিক্ষিত, কুসংস্কার আচ্ছন্ন’।

আমি বললাম, ‘কৈশোরে আমিও সেরকমই ছিলাম। এদের আঘাত করে নয়। ভালবেসে পরিবর্তন করতে হবে।’

আমাদের অপর সহযোদ্ধা-বন্ধু মকুল রায়। তরুণ ব্যারিষ্টার। বিলাত ফেরত উকিল। সে বললো, ‘ভারতীয় উপমহাদেশই বলো, আর ইউরোপ, আমেরিকা যাই বলো। যে কোন সমাজে গোঁড়ামির বিরুদ্ধে কথা বলা আর গোখরা সাপের ন্যাজ দিয়ে কান চুলকানো একই কথা’

সত্যানন্দ বললো- ‘সহমরন কিন্তু হিন্দু ধর্মের অবিছেদ্দ অঙ্গ। কেউ স্বেচ্ছায় সে পথ বেছে নিলে, তাতে বাধা দিলে পরিনতি কি হয়, সে আমি জানি!’

তারপর সে আমাদের যে গল্প শোনালো তা মনে হলে, এখনো গায়ে কাটা দেয়।

সত্যানন্দ বলেছিলঃ ‘১৮৯৬ সাল। আমর তখন বয়স নয় বৎসর। সে সময়, একবার সতীদাহ দেখতে গিয়েছিলাম। যে মেয়েটি সহ-মরণে রাজী হয়েছিল। তার বয়স উনিশ-কুড়ি হবে। গোলগাল চেহারা, গায়ের রং ফর্সা, মাঝারী উচ্চতা, ভরাট শরীর। বড় বড় টানা টানা চোখ। মাথা ভরা কালো ঘন চুল। সিঁথিতে সিঁদুর, গায়ে গহনা, হাতে সোনার বালা, গলায় হার, পায়ে আলতা। ঠিক নতুন বউয়ের মত দেখতে।

একটা কাঠের খাটিয়ায় বসে পুরোহিত মন্ত্র পড়ছিল। পাশেই মেয়েটির স্বামীর মৃত দেহ। বেটা জমিদার ছিল। ৫৯ বছর বয়সে মারা যায়। মেয়েটির বিয়ে হয়েছিল দশ বছর আগে। জমিদার লম্পট স্বভাবের ছিলেন। বহু রোগে ভূগছিলেন। গ্রামে রটেছিল সে গনোরিয়া আক্রান্ত। এমন পুরুষের অমন অপরূপ স্ত্রী। তাও তাকে জীবন্ত পোড়ানো হবে। ভেবে তখনই অবাক হচ্ছিলাম আমি।

দুটি খাটিয়া। একটিতে মৃত জমিদার, অন্যটিতে তার রূপসী স্ত্রী। খাটিয়া দু’টি তুলে আট-দশ জন যুবক গ্রামের পথ ধরে নদীর পাড়ে, বিশাল অশ্বথ গাছের নীচের শশ্মান ঘাটের দিকে চললো। তারপর মেয়েটিকে পুকুর পাড়ে গোসল করিয়ে; একটু আড়াল করে সাদা বিধবার কাপড় পড়ানো হল।

দু’টি কাঠের স্তূপ। পাশে জ্বালানি তৈল, ঘি, চন্দন কাঠ আরো বিবিধ বস্তু। শ্মশান বেদীতে উঠার সিড়িটা কাঠের তৈরী, উচু মাচার মতো,  সামনে পর্দা দেওয়া। আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলে, পর্দা সরিয়ে মেয়েটি তাতে ঝাপ দিল। তার ভয়ার্ত চেহারা! আগুনের লেলিহান শিখা মুহুর্তে গ্রাস করলো তাকে। কিছু লোক দ্র্বত তার দেহের উপর ভারী ভারী কাঠ চাপিয়ে, তাতে জোড়ে জোড়ে আঘাত করতে লাগলো। তাদের লাঠিতে রক্তের চিহ্ন। আমার মনে হল ঢাকের শব্দে আর পুরহিতের উচ্চারিত সুলোলিত মন্ত্রের মোহে কেউ মেয়েটির চিৎকার শুনতে পেল না।

আমি মূহুর্তে জ্ঞান হারালাম ।

তারপর মুখে ভাত তুলতে পারিনি অনেক দিন। সে কথা মনে হলেই বমি করতাম।

বলে একটু থামলো সত্যানন্দ। তার চেহারায় তখন দারুণ বিষন্নতা দেখে, আমরা সবাই চুপ করে ছিলাম। সত্যানন্দ ফের বললো, ‘এরপর একজন যুবক যুক্তি দিয়ে সমাজ পতিদের কাছে সতিদাহ বন্ধের আকুল আবেদন জানালো। ধর্ম অবমানোনার দায়ে সেই যুবকে প্রকাশ্য পিটিয়ে হত্যা করলো গ্রামবাসী। পুলিশ এসে তার মৃত দেহ সৎকারের বাবস্থা আর দোষীদের গ্রেফতার করাতে, ভীষন মারামারি বাধে সে বার। পুলিশের গুলিতে যে তিনজন মারা গেল। তাদের বীরের মত সৎকার করলো গ্রামবাসী। দুর-দুরান্ত থেকে হাজার হাজার লোক আসে, সেই শহীদের শ্রদ্ধা জানাতে! 

আর হতভাগ্য সেই যুবক, যে সতি-দাহ বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছিল। তার মৃতদেহ গ্রহনে অস্বীকৃতি জানায় তার পরিবার।’ এই ঘটনা শোনার পর, সে রাতে আমাদের চারজনের কারোই ঘুম হল না।

 

সকাল বেলা সারাভানানকে বললাম, গ্রামের কর্তা ব্যাক্তিদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যেতে।

মুকুল রায়, সারাভানানকে বললো, ‘সর্তক থেকো! মূর্খ, র্নিবোধ ও কুসংস্কারপন্থীরা,  পরকালে স্বর্গের লোভে এহেন হীন কোন কাজ নেই, যা করতে পারে না। কিন্তু প্রকৃত র্ধামিক কখনো ধর্মের নামে বাড়াবাড়ি করে না। আর দৃঢ় বিশ্বাস রেখো, ইশ্বর কখনোই সত্যাআশ্রয়ীদের পরাজিত করেন না।’

আমি কায়মনে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করলাম আমাদের সাহায্য করার জন্য। ঘন্টা দুয়েক পরে সারাভানান এলো মন ভারী করে। গ্রামের লোক সতিদাহ বন্ধে আগ্রহী নয়। অগ্যতা, মন খারাপ করে বসে রইলাম সবাই।

পরদিন সকালে সারাভানানের পরিচিত এক পল্লী চিকিৎসক, আমাদের তার নৌকায় ভ্রমনের প্রস্তাব দিল। মন চাঙ্গা করতে সবাই একসাথে বেড়িয়ে পরলাম তার সঙ্গে।

গ্রামের পথ ধরে কিছু দুর এগুলেই নদী। নদীর তীরে দেখা মিলল অপূর্ব সুন্দর নৌকার। লম্বায় প্রায় ত্রিশ ফুট। আমাদের গ্রাম বাংলায় বড় মালবাহী গুদারা নৌকার সমান, দোতলা; সুন্দর দরজা জানালা তাতে। পুরোটাই কাঠ আর বেতের তৈরী। ভেতরটা পালিশ করা চকচকে। ঠিক যেন একটা রাজ হাঁস ভেসে বেড়াচ্ছে পানির উপর। ভিতরে শোবার, গোসল করার সব বাবস্থাই আছে। নৌকার জানালায় বসে ছিপ দিয়ে মাছ ধরলাম আমি আর সারাভানান। কেটে-বেছে, বাহারি সব মসলা আর নারিকেল দুধ দিয়ে রান্না হলো,। সাদা ভাত, নারিকেল দিয়ে গলদা চিংড়ি আর আমাদের ধরা মাছ ভাজা দিয়ে, ভালই খেল সবাই। আড্ডা, গান-বাজনা হলো। সন্ধ্যায় ফিরলাম আমরা।

নদীর ঘাঠে দেখা হলো গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান ভেন্‌কটেশ লিংগেস সারানের সাথে। লম্বা স্বাস্থ্যবান পুরুষ। প্রশস্ত গ্রীবা ও কাধের অধিকারী। তার কপালে তিনটে সাদা চুনের দাগ, হাতে বালা, মোটা গোঁফ, ভূরু আর কোকরানো চুল। সাদা শাট, সাদা লুঙ্গি হাটুর উপর অর্ধেক ভাজ করে পরা । এবার, অত্যন্ত বিনীত ভাবে সারাভানানের সঙ্গে কথা বলেছিল সে। সারাভানান আমাদের জানালো পঞ্চায়েত প্রধান ভেক্টেশনের এক ছেলে, এক মেয়ে। মেয়েটি ছোট, বয়স সাত। ভীষণ অসুস্থ। তাই পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে শিশুটির চিকিৎসার জন্য তাকে গ্রামে যেতে হবে । গ্রাম্য ডাক্তার নিশানতন, এতক্ষণ আমরা যার অতিথি ছিলাম; সেও চললো তার সাথে। ঘাঠের কাছেই গরুর গাড়ী বাধা ছিল,গরুর গাড়ীতে উঠে বসলো সবাই। সারাভানানকে একা ছাড়তে মন চাইছিল না। আমরা সবাই যেতে চাইলাম। কিন্তু  সেই বারন করলো।

সারাভানান সে রাতে ফিরলো না। কেউ কোনও সংবাদও নিয়ে এলো না। অজানা আশংঙ্কায় আমরা সবাই উদ্বিগ্নের মধ্যে রইলাম ।

 

সকালে সারাভানান আর তার কমপাউন্ডার কাম পল্লী চিকিৎসক নিশানতন ফিরলো। চোখে-মুখে রাত জাগায় ক্লান্তি। জানা গেল, পঞ্চায়েত প্রধানের মেয়ের পেটের অসুখ, বমি আর জ্বর ছিল। বার বার জ্ঞান হারাচ্ছিল মেয়েটি। সম্ভবত ফুড পয়জনিং। এখনো দুর্বল। তবে দ্র্বত সেরে উঠছে মেয়েটি। এর আগে একই অসুস্থতায় পঞ্চায়েত প্রধানের আরেকটি মেয়ে মারা যায়। গ্রামের বৈদ্য-ওঝারা ভূত ধরার চিকিৎসা দিয়ে, নির্মম ভাবে পেটায় ছোট মেয়েটিকে, দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো সারাভানান।

এক মহৎ চিকিৎসকের  ক্লান্তিহীন মানবসেবা, আন্দোলিত করলো আমার হৃদয়।

বিকালে পঞ্চায়েত প্রধান আরো পনের-বিশজন লোক নিয়ে এসে, খুশি মনে জানালো,  সতিদাহ প্রথা বন্ধ করতে রাজী হয়েছে গ্রামের সব কর্তা ব্যক্তিরা। একখানা স্কুল আর হাসপাতাল স্থাপনে সারাভানান আর আমাদের সাহায্য কামনা করলো তারা।

খুশি আর আবেগে সবাই সবাইকে জড়িয়ে ধরলাম আমরা।

এখন ১৯৬৬ সাল। ৭৮ বৎসরের জীবনে অহিংস আন্দোলনের সেই রকম আনন্দ আর দ্বিতীয় পাইনি।” বলে একটু সবার দিকে চোখ বুলালেন মহান এই বিপ্লবী। একটু উদার গলায় বললেন, ”অস্ত্র দিয়ে সব লড়াই হয় না আবার কিছু লড়াই অস্ত্র ছাড়া জেতা যায় না। জীবনে মাঝে মাঝে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়। কতদুর এসেছি আমরা। বিজ্ঞান আর শিল্প-সাহিত্যের অগ্রগতি কিভাবে পরিবর্তন এনেছে আমাদের মনে। এখন আর সংক্রামক রোগ যক্ষ্মা, বসন্ত, ম্যালেরিয়ায় মারা যায় না লক্ষ লক্ষ মানুষ। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যোগাযোগ হচ্ছে। বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ আর সহ মরণ বিলুপ্ত হয়েছে। তবুও মানুষের চরিত্র এই, সে নতুনত্বে ভয় পায়। চারিদিকে কুসংস্কারের শক্ত বর্ম তৈরী করে, পরিবর্তনকে উপেক্ষা করতে চায় সে। একমাত্র সু-শিক্ষাই পারে আলোকিত মানুষ তৈরী করতে। ডাঃ সারাভানানদের তৈরী করতে।”

 

626 Views
Literary Editor

লেখা পাঠাবার নিয়ম

মৌলিক লেখা হতে হবে।

নির্ভুল বানান ও ইউনিকোড বাংলায় টাইপকৃত হতে হবে।

অনুবাদ এর ক্ষেত্রে মুল লেখকের নাম ও সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি দিতে হবে।

আরো দিতে পারেন

লেখকের ছবি।

সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি।

বিষয় বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অঙ্কন চিত্র বা ছবি। 

সম্পাদক | Editor

তারিক সামিন

Tareq Samin

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

লেখা পাঠাবার জন্য

ইমেইল:

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

We use cookies to improve our website. Cookies used for the essential operation of this site have already been set. For more information visit our Cookie policy. I accept cookies from this site. Agree