দুঃসহ দহন।

17 May 2019
Author :  

তারিক সামিন।

 

()

তিনি সরকারী অফিসের একজন পিয়ন। তার সামনের চেয়ারে বসে আছি প্রায় দুই ঘণ্টা। তিনি টেবিলের নিচে পা ছড়িয়ে, শরীর এলেয়ে বসে আছেন। তার চোখ দুটো বন্ধ। মনে হচ্ছে মহাজাগতিক কোন ধ্যানে ব্যস্ত।

তবুও ভীরু মনে সাহস করে একবার ডাকলাম, ‘রাজু ভাই, আমার ফাইলটার কি খবর?’

দুর মিয়া বিরক্ত করেন নাতো, স্যার নাই, সই হয় নাই। অন্য দিন আসেন। রোজা রাইখা মানুষের এতো প্যাঁচাল ভাল লাগে না।

তারপর ধমক দিয়ে বললেন, ”টাকা ছাড়া সরকারী অফিসে কোন কাজ হয় না। যান! অযথা ঘুর ঘুর করে লাভ নাই।

খুব কাছের টেবিলে বসে আছেন রাজু ভাইয়ের সহকারী। তিনি আমার কানে কানে ফের বললেন, ”মাত্র ত্রিশ হাজার টাকা! এত কষ্ট করে বারবার আসার কি দরকার?”

হ্যাঁ অনেক কষ্ট করেছি, গত কয়েক মাস ধরে সুপ্রিম কোটের উল্টো দিকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের হেড অফিস থেকে মিরপুর দুই নম্বরে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিস ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে গেছি। সর্বত্র সীমাহীন দুর্নীতি ঘুষের কারবার। যেখানে যাই সেখানেই একই কথা, ঘুষ ছাড়া সরকারী অফিসে কোন কাজ হয় না।

 

রাজু ভাইয়ের পাশের টেবিলের যুবক কম্পিউটার অপারেটর। বেশ লম্বা-চওড়া স্বাস্থ্যবান মানুষ। আমার কাছে আপাতত মহামানব এর ন্যায় মূল্যবান মানুষ রাজু ভাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ’রাজু ভাই চলেন থাইল্যান্ড যাই। থাই মেয়ে গুলার নরম হাতে; দিনে দুই বার করে এক সপ্তাহ ম্যাসেজ নিয়ে আসেন, শরীরের ম্যাজ-ম্যাজানীটা কেটে যাবে।

দুর মিয়া আর দুঃখ বাড়ায়ে নাতো! সারা দিন দোকান খুইলা বসে আছি, কাস্টমার নাই। টাকা না হলে থাইল্যান্ড যাবো কি দিয়া!, ঘরের পুরাণ বউ দিয়াই চালাতে হবেবলে রোমান্টিক একটা হাসি দিলেন তিনি।

রোজার মাস না, তবুও তিনি নফল রোজা রেখেছেন, এমন ভাল মানুষের মুখে এমন কথা শুনে সত্যই খুব আশ্চর্য হলাম।

অবশ্য এমন সব ভাল মানুষের দেখা গত কয়েক মাস ধরে অহরহ হচ্ছে। সব চেয়ে বেশি দেখেছি রোজার মাসে। তখন সরকারি অফিসে ঘুষের রেট বেড়ে যায়। নামায় পড়ে এসে টুপি খুলে বলবে, ’সামনে ঈদ, টাকা বেশি দিতে হবে, আগের রেটে কাজ হবে না। নইলে ঈদের পরে আসেন।

ঘুষ দুর্নীতিবাজদের মতো জঘন্য পাপাচারী কিছু মানুষ যখন ধর্ম সৃষ্টিকর্তার নামকে ব্যবহার করে নিজেদের অপকর্ম আড়াল করে, তখন মনটা শিউরে উঠে!

 

 

( )

ত্রিশ হাজার টাকা দিয়ে দিলে, সুড়ত করে কাজটা হয়ে যাবে, জানি। তবুও আমি দেব না। আমি দেখতে চাই, এদেশের দুর্নীতির বীভৎস রূপ। লেখক হিসেবে, আমি জানতে চাই, কি রকম দুঃখে বা সুখে আছে এদেশের মানুষ।

জীবনে বহু বার সরকারী অফিস গুলোতে ঘুরে ঘুরে আমি জীবনকে গভীরভাবে বুঝতে শিখেছি। আমারই মতো, অন্য সব মানুষের মতোই দেখেতে অথচ কি নিচু, লোভী অসৎ মানুষ এরা। এদের সীমাহীন দুর্নীতি শোষণ আজ পাকিস্তানী বা ব্রিটিশ উপনিবেশিক শোষণকেও হার মানিয়েছে।

 

ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটি, বাংলায় জাতিয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, সংক্ষেপে সবাই বলে হাউজিং। এখানে দৈাড়াচ্ছি বাড়ির রেজিস্ট্রেশন করতে। বৈধ মালিকানা কাগজপত্র থাকার পরও ঘুষের হিসেবে পাঁচ লাখ থেকে সাত লাখ লাগবে।

একজন মানুষ কিছুটা ব্যতিক্রম পেয়েছিলাম, তিনি আমার ফাইলের রিসিভার ডেপুটি ডিরেক্টর এর পি.এস। প্রথম প্রথম বেশ কয়েক দিন ঘুরালেন। তারপর বললেন, ”বুঝছি কবি সাব। আপনার টাকা নাই, ঠিক আছে, আমি আমার কাজ টুকু করে দিমু। আপনি দৌড়ে দৌড়ে বাকি কাজটা করে নেন। এখানে টাকা না দিলে ফাইল হাজার বছরেও নড়ে না। তবুও, আপনার জন্য আমি এইটুকু করবো।ভদ্রলোক পদ মর্যাদায় একজন পিয়ন। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী। এখানে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর সবারই কম বেশি অঢেল সম্পদ।

বাংলাদেশে সরকারী অফিসে ঘুষের রেট বাধা।

আশেপাশের পিয়নরা চিৎকার করে উঠতো, ”তুই আর দেশী মানুষ, আর কাছ থন দশ হাজার টিহা নিলি, হেতেরে মাগনা দিলি কেন?”

ভদ্র লোক বলতো, ”আমার ইচ্ছা! ভাই একজন কবি মানুষ, হের টাকা-পয়সা নাই। হেতে এই দুয়ার, ওই ঘুরতেছে। আমি টাকা নিমু না.. ”

চোখের পানি অনেক কষ্টে লুকাতাম! তবে কিছু দিন পর তিনিও বদলে গেলেন। হাজার নষ্টের মধ্যে একজন ভাল মানুষ টিকে থাকতে পারে না।

একদিন পর ফাইল সাইন হয়ে গেল। খুশি মনে ডিরেক্টর সাহেবের অফিসে দৌড়লাম।

ডিরেক্টর এর পি.এস. একজন ধূর্ত মহিলা, দুর্নীতি বিদ্যায় বিশেষ পারদর্শী। পাঠক হয়তো ভাবছেন, মহিলার ব্যবহার খুব খারাপ! মোটেও না, তিনি মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে আপনার ফাইল মাসের পর মাসে আটকে রাখবেন। আজ স্যারের মন খারাপ, স্যার ফাইল ধরছেন না, আজ স্যারের মিটিং, আজ স্যারেরইত্যাদি ইত্যাদি। এই দেখেই বুঝি কবি গুরু বলেছিলেন, ”পুরুষ বাধে শিকলে, নারী বাধে আফিমে।

 

()

এরপর গেলাম মেম্বার এর কাছে। তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারী- সরকারের অতিরিক্ত সচিব। সবাই বললো, তিনি একটা সাইন করতে নেন চল্লিশ হাজার টাকা। একটা সাইন করতে, পাঁচ সেকেন্ড সময় লাগে। পাঁচ সেকেন্ডে চল্লিশ হাজার টাকা আয়! এমন অসাধারণ প্রতিভাধর মানুষ দেখার আমার খুব শখ হলো। তার পারসোনাল সেক্রেটারি কে অনেক ধরে কয়ে সাক্ষাৎ নিলাম।

অতিরিক্ত সচিব সাহেব একজন খর্বকায় মানুষ। তাতে কি? জাপানীরা কি বেটে নয়? তবুও-তো তাদের বিশ্বজুড়ে প্রশংসা। ইনিও জাপানিদের মতো, নিজের ভাষার প্রতি তার অঘাৎ মমতা। কথা বলেন, একদম খাটি আঞ্চলিক ভাষায়। আপনের নাম কি? বাপের নাম কি? এভাবে কথা শুরু করলেন তিনি। কথা প্যাচাচ্ছেন তো প্যাচাচ্ছেনই। যার অর্থ খুব সোজা! আমার পি.এস.কে টাকা দাও, না হয় কেটে পড়। কিন্তু আমি নাছোড় বান্দা, সহজে হাল ছাড়ি না। এই মহামানবের(!) সাইন না পেয়ে সত্তর ঊর্ধ্ব বয়স্ক মানুষ জনাব কলিম উদ্দিন সেদিন কাঁদতে কাঁদতে বের হয়ে যেতে দেখেছি।

সেদিনই বুঝ ছিলুম!, এরা আমাদের কবি বা লেখকদের মতো এতো সস্তা লোক নয়! যে, কেউ অটোগ্রাফ বলে একটা সাদা কাগজ বাড়িয়ে দিলে, আমাদের প্রাণটা আনন্দে ভরে উঠে। কত রকমের শুভেচ্ছা বানী লিখে একটা অটোগ্রাফ দিয়ে দেই। একটা একশ টাকার বই বিক্রি করে কবির লাভ ওটাই, অটোগ্রাফ! প্রকাশক তো এক-পয়সাও দেয় না।

এরা বড় মানুষ! অনেক শিক্ষিত! অনেক মেধাবী!(?), বিসিএস পাশ! তাইতো বলি বি.সি.এস পাশদের চাকুরীর কোটা নিয়ে এতো রক্তারক্তি হয়ে গেল কেন? এরা আমাদের প্রভু, আমরা এদের দাস। মোগল, পাকিস্তান, ব্রিটিশ চলে গেছে এদের রেখে গেছে। এখন এরাই আমাদের মতো অকেজো, অভদ্র, ইতর জনগণকে শাসন করে আমাদের ধন্য করছেন!

আমার কাগজ-পত্রে কোন গোলমাল নেই। কত আর প্রশ্ন করবেন, কত আর ঘুরাবেন! আমার পাশে এক ভদ্রলোক তদবিরে বসে আছেন। তার জমির পরিমাণ অনেক বেশি, তাও আবার গুলশানে এবং সম্ভবত বড় কোন ঘাপলা আছে। পি.এস. স্যারকে দ্রুত তাগাদা দিলেন। ইশারায় বুঝালেন, আমার সাথে কথা সংক্ষিপ্ত করতে। আমিও চট করে বড় বড় দুই-তিন জন আমলা লেখকের নাম বলে দিলাম। বললাম তাদের সাথে আমার খুব ভাব, ইয়ার দোস্ত মানুষ! স্যার বিরক্ত হয়ে ঘচ্ করে একটা সাইন মেরে দিলেন। বিশ্বাস করুন পাঠক, এতটা আনন্দ হলো, মনে হলো স্যারের পা ছুঁয়ে সালাম করি। চল্লিশ হাজার টাকা বেঁচে গেল। মনে দারুণ আনন্দ। আমার দোয়ায়(!) অল্প কিছু দিনের মধ্যেই ভদ্রলোক চেয়ারম্যান অর্থাৎ সর্বোচ্চ পদে প্রমোশন পেয়ে গেলেন।

 

()

নিজ জাতির এমন বীভৎস, কদাকার রূপ দেখে মাঝে মাঝেই আমার ভেতরটা কেঁদে উঠে। দেশের স্বাধীনতার জন্য কত লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রাণ দিয়েছে। নির্যাতিত হয়েছে কত মানুষ। আমার নিজের পরিবারই সয়েছে কত অত্যাচার, দুঃসহ দরিদ্রতা, প্রিয় মানুষ হারানোর বেদনা। অথচ সেই স্বাধীন বাংলাদেশ আজ কতিপয় দুর্নীতিবাজ আর ক্ষমতা লোভীর কারণে শোষক রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে।

একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন, স্ব-জাতিকে বঞ্চনা-মুক্ত করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে মৃত্যুকে হাসি মুখে মেনে নিয়ে ছিলেন আমার মেজ চাচা। আমার বাবা ছিলেন যুদ্ধ বন্দি। আরো এক চাচা মুক্তিযুদ্ধে আহত অবস্থায় কত কষ্ট পেয়ে ধুকে ধুকে মরেছে। তাদের সবারই স্বপ্ন ছিল একটি সুন্দর স্বাধীন রাষ্ট্র ব্যবস্থার। আজ স্বাধীন দেশে চারদিকে সীমাহীন দুর্নীতি।

আমার মেজ চাচা ছিলেন তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সুবেদার। আব্বা নায়েব সুবেদার ছোট চাচা ল্যান্স নায়েক। তিন ভাই সেনাবাহিনীতে চাকুরী করে, সেই সুবাদে গ্রাম জুড়ে তাদের ছিল অনেক সম্মান। তবুও, পরাধীন দেশের বঞ্চনা সহ্য হয়নি তাদের! ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পূর্বে পাকিস্তান থেকে ছুটি নিয়ে এসে মেজ চাচা পরিবারের সবাইকে ডেকে বলেছিলেন, ”শেখ সাহেবরে ভোট দাও। বাঙ্গালী দুর্দশা মুক্ত হবে।চাচার তখন পাকিস্তান ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্সে পোস্টিং। কোথায় এদেশের খবর পাকিস্তানীদের দেবে! তা না করে সবাইকে বলছে, ‘শেখ সাহেবরে ভোট দাও। বাঙ্গালী দুর্দশা মুক্ত হবে।

সেনাবাহিনীর লোক গুলো এমনিতে রাগী কিন্তু ভেতরটা সহজ-সরল। এরা সিভিলিয়ানদের মতো কৌশলী না। নির্বাচনে আওয়ামীলীগের জয়ের পর। এবার মেজ চাচা বললো, ”১৯৭১ মার্চে বড় কোন অপারেশন হবে, তোমরা সবাই সতর্ক থেক।সত্যই ১৯৭১ এর ২৫শে মার্চ কাল রাতে ভয়াবহ নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চললো। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ছোট একটা দল চলে এলো টাঙ্গাইলে, আমাদের গ্রামে। চাচাকে স্যালুট করে বললো, ঢাকায় বড় ধরনের গণ্ডগোল হচ্ছে, আপনাকে দ্রুত হেড কোয়াটারে রিপোর্ট করতে হবে।

বাড়ীর সবাই মেজ চাচাকে বললো পালিয়ে যেতে। তিনি বললেন, “আরে বাদ দাও! আমি কি কোন অন্যায্য কথা বলেছি নাকি? আর এই সব সৈনিকরা তো আমার চেনা-জানা। এদের সাথে আমি কত রুটি মাংস ভাগ করে খেয়েছি। এরা আমার কোন ক্ষতি করবে না।চাচা চলে গেলে। এরপর হতে তার কোন খোঁজ নেই। তার ইউনিটের এক বাঙ্গালী সৈনিক মুক্তিযুদ্ধ শেষ হলে খবর দিয়েছিল, ”স্যারকে ওরা অনেক অত্যাচার করে মেরেছে। তারপর তার লাশ পুরিয়ে ফেলেছে।

ভদ্রলোক আমার আম্মাকে বলেছিল, ”দ্যাখেন ভাবি, আমার একটাও দাঁত নেই। নখ উঠাইয়া ফেলছিল, আবার গজাইছে। টর্চার সেল থেকে পালিয়ে ভারতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিলাম। তাই খবর দিতে এত দেরি হয়ে গেল।

সবার ঘরে যুদ্ধ জয়ের আনন্দ। আমাদের বাড়ীতে বিষাদের কালো ছায়া। বাবা পাকিস্তানে বন্দী। রেডক্রস এর মাধ্যমে ইংল্যান্ড হয়ে ছয় মাসে একটা চিঠি আসতো। তাতে একটা খবর জানা যেত তিনি বেচে আছেন। এভাবে চললো তিন বছর। তারপর পাকিস্তান থেকে যুদ্ধবন্দি চুক্তির বিনিময়ে ছাড়া পেলেন। চোখের সামনে, কত হাজার হাজার ভুয়া মুক্তিযুদ্ধ তৈরি হলো। পৃথিবী জুড়ে প্রিজনার অব ওয়ারদের সন্মান জানালে হলেও, এদেশের সৈনিক, যারা যুদ্ধবন্ধী ছিল; তাদের আজো কোন সন্মান জানায়নি বাংলাদেশ। ছোট চাচা, (পাঁচ নম্বর চাচা) কহিনুর কাকা। মুক্তিযুদ্ধে পালিয়ে অংশ নিতে গিয়েছিলেন, ধরা পরার পর বেদম মারধরের কারণে আমৃত্যু আহত, দুর্বল হয়ে, কষ্ট পেয়ে ধুকে ধুকে মারা গেলেন। মেজ চাচার কষ্ট, বাবার কষ্ট আমি দেখিনি, এই সব আমার মায়ের মুখে শোনা। আমার জন্মের বেশ আগের ঘটনা। কিন্তু কহিনুর কাকার সেই দুঃসহ কষ্ট পীড়িত জীবন আমি দেখেছি।

মুক্তিযুদ্ধ এদেশের বহু পরিবারকে হত-দরিদ্র করেছে, নিঃস্ব করেছে, তবুও মানুষ দেশের স্বার্থে সব সয়ে নিয়েছে। কিন্তু জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃক পক্ষর অফিসে বসে একটা অনুভূতিই বার বার হয়েছে। ভুল, সবই ভুল! এত কষ্ট, এত অশ্রু, এত কান্না। সব আত্ম-ত্যাগ সবই বৃথা!

407 Views
Literary Editor

লেখা পাঠাবার নিয়ম

মৌলিক লেখা হতে হবে।

নির্ভুল বানান ও ইউনিকোড বাংলায় টাইপকৃত হতে হবে।

অনুবাদ এর ক্ষেত্রে মুল লেখকের নাম ও সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি দিতে হবে।

আরো দিতে পারেন

লেখকের ছবি।

সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি।

বিষয় বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অঙ্কন চিত্র বা ছবি। 

সম্পাদক | Editor

তারিক সামিন

Tareq Samin

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

লেখা পাঠাবার জন্য

ইমেইল:

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

We use cookies to improve our website. Cookies used for the essential operation of this site have already been set. For more information visit our Cookie policy. I accept cookies from this site. Agree