Literary Editor

লেখক পরিচিতি:
শরাফত হোসেন মূলত কবি। প্রকাশিত কবিতার বই ‘ঘাসঢুল তোমার সাথে’ ও ‘ফিরে আসি কাচের শহরে’। জন্ম ১ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। বাবা জয়দুল হোসেন, মা হাসনেয়ারা বেগম। স্কুল জীবন থেকেই নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। লেখালেখির শুরু ওই সময়েই।  একাধিক জাতীয় দৈনিকের বিশেষ সংখ্যা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০৭ সাল থেকে ‘সাহিত্য একাডেমি পত্রিকা’র নির্বাহী সম্পাদক। সম্পাদনা করছেন ‘বুক রিভিউ’। বর্তমানে কাজ করছেন সংবাদ মাধ্যমে। পড়াশুনা ব্যবসায় প্রশাসনে। জাতীয় কবিতা পরিষদ, পেন বাংলাদেশ, সাহিত্য একাডেমিসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক একাধিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রসারে নিজেকে নিয়োজিত করে আনন্দ পান।


অখণ্ড 

শরাফত হোসেন

এক.
শৈশবের শ্লেটে সাজিয়ে রাখি সারি সারি দুঃখ
চায়ের ধোঁয়ায় শিশির জমে কাচঘেরা পাতাগাছে
চোরাস্বপ্নেরা ডুবে থাকে গানে-কবিতায়

দুই.
অবিরত ঝরে পড়া বৃষ্টির জলে জেনেছি
দুঃখ বলে কিছু নেই; আছে হাহাকার
অতৃপ্তি- না পাওয়া!

তিন.
হলুদ শার্টে তোমার আকাশ ফিকে হয়ে আসে
কালো চুলে ওপরে ওঠার সিঁড়ি
একটু হাসো- তোমার নিঃশ্বাসে গেয়ে উঠবে পাখি
বিস্ময়ভরা দৃষ্টিতে জল খুঁজে পাবে আশ্রয়

যেমন আমি- ভরদুপুরে, বৃষ্টিতে, রোদ্দুরে
এমনকি অন্ধকারে খুঁজে বেড়ায় শব্দমালা
তোমার নূপুরে, গলার লকেট, কানের দুলে-
অথবা দীর্ঘশ্বাসে।



সীমানা 
শরাফত হোসেন

আকাশে গুচ্ছ মেঘের দল আনমনে পেরিয়ে যায় সীমারেখা
নিজের অজান্তেই শালিক পাখিটি ওপার ঘুরে আসে।

তোমাদের সীমানা প্রাচীর হয়ে বৃষ্টির জল
নেমে আসে এ তল্লাটে- অনায়াসে
ঝড়ো হাওয়ার সাথে শুকনো পাতার দল।
সাগরের স্বচ্ছ জলে মুখ লুকাতে হাপিয়ে উঠি
আলিঙ্গনের দূরত্ব রাইফেলের নল
এপারে আসতে মানা, ওপারে যেতে
এই পথ আমার নয়; ওই পথ তোমার
হৃদয়ে রক্ত ঝরে, শীতল হয়-
এপারে জল ছুঁয়ে দিলে তোমার উঞ্চতা অনুভব করি
বাতাসে সুগন্ধী
এপারে আসতে মানা, ওপারে যেতে
অন্ধকার ডুবে থাকে কাঁটাতার জুড়ে।



ফলন
শরাফত হোসেন

স্মৃতিরা ছবি হয়ে ভাসে; ছবি কেবলই স্মৃতি।
পাতাদের মজ্জাগত দোষ, কথা বলে বাতাসে
এই গরমে নাড়িস না কেউ জল
ভাতের হাড়ি ভাঙিস না কেউ।
উঠোন ভরতি মানুষ ছিল- হারিয়ে গেছে
সোনালি দিন মিলিয়ে গেল জলের দেশে
নাড়িস না কেউ জল।

মাটির চুলা একই আছে; ধুপধোঁয়া মন
ধানের ডগায় বসছে শিশির; শর্ষে ফুলে মৌ।

তোমার আমার পার্থক্য

 - তারিক সামিন 

 

কি আর্শ্চায এক গভীরতা

প্রশান্তি আছে তোমার মাঝে,

আর-

কি আশ্চর্য এক অস্থিরতা

বিরাজ করে আমার মাঝে।

তুমি কত শান্ত-প্রেমময়ী-বাস্তববাদী

আর-

আমি কী ভাববাদী রুপকময়ী!

তুমি যখন আকাশের মত বিস্তৃত হও

তখন আমি সাগরের গভীরতা খুঁজি,

বিপ্লব-বিদ্রোহ আর বাধভাঙা আমার নীতি

বাঁধন-বশীকরণ আর সম্মোহন তোমার রীতি।

আমি ভেঙে গড়তে চাই

মরে চাই বাঁচতে;

তুমি নিশ্চয়তা চাও

আর চাও ভালোবাসতে।

অ্যালেন গিনসবার্গ স্মরণে

-তারিক সামিন।

 

১৪০০ সাল

১৪০০ সাল

-তারিক সামিন

 

Page 19 of 19

লেখা পাঠাবার নিয়ম

মৌলিক লেখা হতে হবে।

নির্ভুল বানান ও ইউনিকোড বাংলায় টাইপকৃত হতে হবে।

অনুবাদ এর ক্ষেত্রে মুল লেখকের নাম ও সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি দিতে হবে।

আরো দিতে পারেন

লেখকের ছবি।

সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি।

বিষয় বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অঙ্কন চিত্র বা ছবি। 

সম্পাদক | Editor

তারিক সামিন

Tareq Samin

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

লেখা পাঠাবার জন্য

ইমেইল:

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

We use cookies to improve our website. Cookies used for the essential operation of this site have already been set. For more information visit our Cookie policy. I accept cookies from this site. Agree