Literary Editor

 

মানুষের জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় মুহূর্ত হচ্ছে তার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সাহচর্য। যৌনতা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মৌলিক অধিকার। খাদ্য গ্রহণ না করলে যেমন মানুষ শারীরিক অপুষ্টিতে ভুগে। তেমনি, প্রাপ্ত: বয়স্ক মানুষ; যৌন তৃপ্ত ব্যতীত মানসিক ও নৈতিক অপুষ্টিতে ভুগে।

দুর্ভিক্ষ পিরিত দেশে খাদ্য সংকট কালে যেমন মানুষের ইচ্ছে থাকলেও খাবার জোটে না। তেমনি সংকীর্ণ ও অশিক্ষিত সমাজে মানুষের ইচ্ছে থাকলেও যৌন তৃপ্তি হয় না। এখানে যুবক-যুবতিদের যৌন কামনা পরিতৃপ্তিতে হাজারো রকমের বাধা থাকে। দাম্পত্য জীবনে স্বামী ও স্ত্রী’র যৌন সম্পর্কও একঘেয়েমি পূর্ন হয়ে উঠে শিক্ষার অভাবে।

যৌন অশিক্ষিতরা জানে না, একবারে না খেয়ে থাকাও যেমন স্বাস্থ্য হানিকর। ঠিক তেমনি অধিক ভোজন তথা বেশি আহারও স্বাস্থ্য হানিকর। সঙ্কীর্ণ ও অশিক্ষিত সমাজে যৌনতা মানেই অধিক ভোজন বা একবারে না খেয়ে থাকা।

অন্যদিকে খাবার বিশুদ্ধ না হলে, যেমন শরীরে বিভিন্ন রোগ তৈরি হয়, ঠিক তেমনি অনিরাপদ যৌন সম্পর্কও স্বাস্থ্য হানিকর। কখনো কখনো অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী। সঙ্কীর্ণ ও অশিক্ষিত সমাজে লোক নিন্দা এড়াতে মানুষ গোপনে বেশ্যাগমন, পরকীয়া ও ধর্ষণের মতো অনিরাপদ ও ক্ষতিকর সম্পর্কে বেশি জড়ায় ।

যৌনতার মতো জটিল একটি বিষয় বুঝতে তাই যৌন শিক্ষা জরুরী। কিন্তু মুসলিম সমাজে যে কথা বলাও পাপ। অথচ যৌন অপরাধ মুসলিম সমাজেই সবচেয়ে বেশি। এই সমাজ কাঠামোর মধ্যে যৌন বিকৃতি সবচেয়ে বেশি। হুজুররা, নারী পুরুষের প্রেমকে পাপ মনেকরে কিন্তু ধর্ষণকে ইনিয়ে-বিনিয়ে সমর্থন করে।

চরম রক্ষণশীল সৌদি আরবে নারীরা পিতা ও ভাইদের দ্বারা ধর্ষিত হচ্ছে। সে সব থেকে বাঁচতে সৌদি নারীরা দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে। সে কারণে সৌদি সরকার সে দেশের নারীদের পাসপোর্ট দিচ্ছে না। আর দিলেও তা পরিবারের পুরুষদের জিম্মায়। সৌদি সরকার সেদেশের পুরুষদের খুশি রাখতে, বিদেশ থেকে নারী গৃহকর্মি নিচ্ছে। পিতা ও পুত্ররা মিলে সেই সব নারী গৃহ কর্মীকে ধর্ষণ করে। সৌদি আরব থেকে ফিরে আসা বাংলাদেশী গৃহ কর্মীরা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে স্বদেশে ফিরে আসছে। তাদের মুখ থেকেই শোনা যাচ্ছে এসব বিভৎস অত্যাচারের কথা।

বাংলাদেশে যৌন বিকৃতির প্রকাশ্যে উৎসব চলছে। গুগলে ’বাংলা.’ লিখলে সবার আগে আসে বাংলা চটি। আর সেই চটি মানেই বাবা-মা, ভাই-বোনদের সাথে বিকৃত যৌন গল্প। মুসলিম সমাজে নারীরা খোলামেলা চলে না। একটি পুরুষের সারা জীবন দেখে তার নারী বান্ধবী, অফিসের সহকর্মী, রাস্তার নারী সবাই শরীর ঢেকে চলে ।

কিন্তু বাসায় মা-বোনদের তো সব সময় শরীর ঢেকে কাজকর্ম করার উপায় নেই। মুসলিম পুরুষ তাই এদের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। বহু মানুষ এখন নিজের অজান্তে এমন মানসিক বিকৃতিতে ভুগছে। কিন্তু বাংলাদেশে লজ্জিত হতে হয় এসব সত্য কথা লিখতে গিয়ে ।

এছাড়াও এখন ইন্টারনেটে পর্নোগ্রাফির বড় একটা অংশ আসে বাংলাদেশ থেকে। নারীদের বিভিন্ন ভাবে ব্লাকমেইল করে এসব তৈরি হয়। স্কুল পড়ুয়া মেয়েরাও বাদ পরছে না এসব লম্পটদের হাত থেকে।

বাংলাদেশে যৌন বিকৃতির প্রকাশ্য উৎসব এর আরো রূপ হচ্ছে রাস্তা ঘাটে নারীদের ইভ টিজিং, যানবাহনে ইচ্ছাকৃত ভাবে নারীদের শরীর স্পর্শ করা। মাত্র একদিন আগেও, প্রকাশ্য রাস্তায় হিজাব পড়া সাত বছরের শিশুকে যৌন নিগ্রহ করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়েছে, যৌন বিকারগ্রস্ত এক মাদ্রাসা শিক্ষক। অথচ এরাই আবার ফেসবুক ও ধর্মীয় সমাবেশে নারী বিদ্বেষ প্রচার করছে।

ধর্ষণ, গণ-ধর্ষণ, বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ এসবই যৌন বিকৃতির বিবিধ রূপ। আরো ভংয়ন্কয় অমানবিক হচ্ছে মাদ্রাসাগুলোতে শিশু ও কিশোরদের বলাৎকার। মাদ্রাসা গুলোতে প্রতিনিয়ত ছোট ছোট শিশুরা ধর্ষণ ও বলাৎকার এর শিকার হচ্ছে। সেই সাথে মাদ্রাসাগুলোতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সমকামিতা।

সমকাম একটি জেনেটিক ডিজঅর্ডার। অর্থাৎ শরীরের দিকে দিয়ে হয়তো সে পুরুষ কিন্তু মনের দিক দিয়ে নারী। অথবা শরীরের দিকে দিয়ে সে হয়তো নারী কিন্তু মনের দিক দিয়ে পুরুষ। তাই নারী হয়েও সে অন্য নারী বা পুরুষ হয়েও সে অন্য পুরুষেরে প্রতি আকৃষ্ট হয়। এজন্য তাকে অর্থাৎ সমকামীকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। মানুষের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী যৌন অঙ্গ হচ্ছে তার মস্তিষ্ক বা ব্রেন। এটা অনুধাবন করার মতো বিজ্ঞান মনস্ক মানুষ মুসলিম সমাজে বিরল। সমকামী ঈশ্বর বা প্রকৃতির সৃষ্টি। অন্য সব মানুষের মতো মানুষ। তাদেরও বেঁচে থাকার অধিকার আছে। একটি সুন্দর জীবন যাপন করার অধিকার আছে। সমকামী এখানে একজন ভিকটিম মাত্র। সমাজ ও রাষ্ট্রের তার পাশে থাকা নৈতিক দায়িত্ব।

বাংলাদেশের মাদ্রাসা গুলোতে যৌন বিকারগ্রস্থতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হচ্ছে, এদের পাঠ্য ব্যবস্থায় নারীকে পাপের বস্তু হিসেবে দেখানো হয়। আবার কখনো কখনো নারীকে মাতৃ রূপে অতি সম্মানিত দেখানো হয় । এদের চোখে হয় নারী অতি নিকৃষ্ট অথবা অতি সম্মানিত। নারী-পুরুষের বন্ধুত্ব ও স্বাভাবিক মেলামেশা এখানে নিষিদ্ধ। নারীর প্রতি এই ভয় থেকে এবং স্বাভাবিক নারী সাহচর্য বঞ্চিত থাকা, এখানকার যুবকরা অল্প বয়সে সমকামে আকৃষ্ট হচ্ছে। অথবা শিশু, কিশোরদের বলাৎকার ও ধর্ষন করছে।

আবার এরাই সমকামীদের ঘৃণা করে, হত্যা করে। অথচ ধর্ষণ, বলাৎকার ও নারী ও শিশু যৌন নিগ্রহের মতো জঘন্য অপরাধে এরা চুপ থাকে। ব্যক্তিগতভাবে, আমি সমকামীতা পছন্দ করি না। তবে তাদের বেঁচে থাকার ও স্বাবাভিক জীবন যাপনের অধিকার আমি সমর্থন করি।

আবদ্ধ পানিতে যেমন জীবানু বেশি জন্মে। ঠিক তেমনি সঙ্কীর্ণতা ও কুসংস্কার আচ্ছন্ন, অশিক্ষিত- কুশিক্ষিত সমাজে; যৌন বিকারগ্রস্থ মানুষের সংখ্যা বেশি। এছাড়াও মানুষের অন্যান্য বহু জটিল মানসিক ও শারিরিক সমস্যার কারনও যৌন অবদমন। আবার অনিরাপদ যৌনতাও জীবনঘাতী। সে জন্য যৌন শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি।

সাহিত্য, চলচ্চিত্র, শিল্প কলা ও বিনোদন মাধ্যম সমূহে সুস্থ যৌনতার উপস্থাপন না থাকলে, চটি সাহিত্য ও পর্নোগ্রাফির বিকৃত দিক গুলোর প্রতি মানুষ বেশি আকৃষ্ট হয়। মানুষের মস্তিষ্ক কখনো শূন্য থাকে না। ভালো না পেলে; খারাপ দিয়ে সেই শূন্য স্থান পূরণ করে।

মোট কথা, একটি সমাজে মানুষের স্বাভাবিক মানসিক বিকাশ ও নৈতিক উন্নয়নে যৌন শিক্ষা অত্যন্ত জরুরী। এটা সরকারকে বুঝতে হবে।এ বিষয়টি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এবং পশ্চাৎপদ মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করতে হবে। তা-না-হলে অচিরেই ভেঙ্গে পড়বে বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা।

 

- তারিক সামিন 

 

 

-তারিক সামিন

 

বরং, তুমি নিজেই আঁকনা আমার ছবি

-হঠাৎ বলে উঠল সে

অষ্টাদশী নারী,

মুখে তার অরণ্যর গভীরতা

চোখ দুটো নীল লেগুন

ওষ্ঠে পদ্মের পেলবতা

কালো ঘন চুল নদীর মতন মসৃণ,

গ্রীবা দেখে পথ হারালো বহু সন্ন্যাসী

সুডৌল বক্ষযুগল আগ্নেয়গিরির মতো

-জ্বলে উঠবে এক্ষুণি

সিল্ক-রোডের বাঁকানো পথের ধারে

ঢেউ খেলানো মরু-উদ্যান তার নিতম্ব,

উল্টোদিকে একটা ঝর্ণার মিষ্টি প্রস্রবণ

হতে পারত অন্য কোনো শিল্পীর

ক্যানভাসে আঁকা অন্যরকম কিছু

তবুও সে আমাকে দিয়েই

লেখালো তার ছবি

যার ছিল অন্যরকম ভাষা!

 

ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত

প্রিয়তমা, কেমন আছো জানি না

জানি না রৌদ্রোজ্জ্বল দুপুরে, এক পায় ভর দিয়ে

দাঁড়িয়ে থাকে কিনা একটি ছেলে,

অপেক্ষায় ক্লান্ত হয়ে ফেলে নাকি দীর্ঘশ্বাস।

তোমার মুখের দিকে তাকালেই

হয়ে যায় কিনা মহা-সামুদ্রিক তোলপাড়!

দুরন্ত কারো চপলতায়

এখনও বিরক্ত হও মাঝে মাঝে?

নানা রঙের স্বপ্নে কেউ কি তোমাকে সাজায়

আমার মতো করে কর্মব্যস্ততার ভিড়ে।

 

উদ্যানের দীর্ঘ গাছের-সারিগুলোকে

শূন্য মনে হয় কি কাউকে না দেখে?

অভিমানে কেউ কি ভাষা হারায়!

নির্জনতায় উষ্ণ আলিঙ্গনে

বাড়িয়ে দেয় কি স্বপ্ন আবার।

আমি অবাক হয়ে ভাবি,

ভেবে আরও অবাক হয়ে যাই,

চারদিক নিস্তব্ধ, কোনো খানে তুমি নাই!

নীল শাড়ি আর লাল টিপে

সেঁজে ছিলে সেদিন, অনেক কেঁদেছিলে,

আমার ভিতরে যে অনন্ত আমি

তাকে হারিয়ে নতুন রূপে দেখেছিলে

তাই বাহুডোরে অনেক কেঁদেছিলে।

 

প্রিয়তমা, ভালোবাসার দাবিতে অনেক কাছে এসেছিলে

ফাল্গুনী দুপুরে বাসন্তী যৌবনে

যদি একটি পুরুষ একটি নারীকে চায়,

তবে তা কি খুব অন্যায় মনে হয় এখনো?

যদি না মনে হয় তবে,

কোনো এক অন্ধকার রাতে শরীরের

তীব্র প্রয়োজনে সমর্পিত করবে যখন

নিজেকে অন্যের শয্যায়

তখন আমার কথা মনে পড়বে,

কৈশোরের সব ভুল ভালোবাসা হবে

আমার দীর্ঘ-নিশ্বাস তোমার জন্য

রাহুর গ্রাস হবে।

 

যদিও তোমাকে ছেড়ে পালিয়ে বেড়াই আমি

তবুও জানি, খুব বেশি এড়াতে পারিনি তোমাকে।

কারণ, শূন্য মনে হয় এখন জীবন

মনে হয়, অনেক আগে যাবার ছিল

মুখোমুখি দাঁড়াবার ইচ্ছে ছিল।

তোমার মুখে আরেকবার মুখ নামিয়ে

মান ভাঙানো উচিত ছিল।

কেন যেন মাঝে মধ্যে

সাহসী কি একটা জেগে উঠে নিজের মাঝে,

হঠাৎ বড় সত্য মনে হয়

নিজের অধিকারগুলোকে।

 

 

- তারিক সামিন

 

 

ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত

ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত

 

 

- তারিক সামিন

 

ক্যাথরিন-

নীল নয়না গোলাপি ঠোঁটের মেয়ে

দ্যাখো একবার চেয়ে,

পূবালী আকাশের নীচে

এখনো চলছে ভেসে

সেই সে দিনগুলি।

তুমি আমি ছিলাম, ছিল ভালোবাসা

বুক ভরা ছিল স্বপ্নিল আশা।

জ্যোৎস্না রাতের দেশে

কুয়াশা চলছে ভেসে;

চারদিকে নির্জন নিস্তব্ধতা

বুকে আমাদের অশান্ত অস্থিরতা 

 

কাচারি ঘরের উঠোন পেরিয়ে

কাটা খেজুর গাছের উপরে,

বসেছিলে তুমি

পাশে ছিলাম আমি।

পৌষের কুয়াশায়

চারদিক ভরে গেছে

তবুও; নিয়ন বাতির মতো

স্পষ্ট দেখা যায়,

লাল নেলপলিশ।

নীল জিন্সের প্যান্ট

মাথায় বাদামী কেশ;

তোমায় লাগছিল বেশ।

গলায় পরেছিলে মুক্তোর মালা

চাঁদের আলো সেখানে করছিল খেলা,

বুকের উপত্যকা ঘেঁষে

খানিকটা উন্মুক্ত ছিল

হয়তো নিজের অজান্তে।

 

হঠাৎ আবেগের বশে জড়িয়ে ধরেছিলাম তোমায়

চুমু খেয়েছিলাম উপত্যকার পাদদেশে,

তুমি জড়িয়ে ছিলে আমায়

যেমন করে সাপিনী, সাপকে ভালোবাসে।

 

তারপর রাত গভীর হলো

পৌষের ঠাণ্ডা বাড়লো আরো

আমাদের শরীরে কাঁপুনি ছিল,

তুমি ঘরে ফিরে যেতে চাইলে

আমি তোমায় নিয়ে এলাম কোলে করে।

আমি বসে ছিলাম বিছানার উপর

তুমি জুতো-মুজো খুলে

তোমার উন্মুক্ত ঠোঁট আমার ঠোঁটে ছোঁয়ালে।

 

তারপর;

আমি তোমায় নিয়ে বিছানায় গড়ালাম

তুমি বাধা দিলে না,

অশান্ত দুটি শরীরকে নিয়ে

অনেক ঝড় বয়ে গিয়েছিল

সেদিন তোষকের উপরে;

ক্লান্ত দুটি দেহ যখন একে অন্যের পাশাপাশি

তখন তুমি বলেছিলে,

আমি তোমায় ভালোবাসি’।

 

এরপর;

বহুদিন হয়ে এলো

আমাদের ভালোবাসার জীবনও ফুরালো

তুমি চলে গেলে-

প্যারিস নামের ব্যস্ত কোন শহরে।

তারপরও;

বহুদিন হল

অনেক রজনী পার হলো।

কিন্তু',

আজো মনে পড়ে যায়

কে কথা বলেছিলে একান্ত নিরালায়,

বলেছিলে-

তুমি আমার হৃদয় হরণকারী’

ক্যাথরিন-

প্রিয়তমা

সবকিছু ভোলা যায়

এ কখনো ভোলা যায় না।

Mariela Cordero(1985), Venezuela,is a lawyer, poet, writer,translator and visual artist. She has won some literary awards:Third Prize of Poetry Alejandra Pizarnik Argentina (2014). First Prize at the Second Ibero-American Poetry Contest Euler Granda, Ecuador (2015). Second Prize of Poetry Concorso Letterario Internazionale Bilingüe Tracceperlameta Edizioni, Italy (2015) Micropoemas Prize in Spanish of the III contest TRANSPalabr @RTE 2015, Spain. First Place in International Poetry Contest Hispanic Poets mention of literary quality, Spain 2016. Honorable Mention in the Guido Gozzano Literary Prize Italy (2018) Her poems have been published in various anthologies and literary magazines and have been translated into english, french, shona,chinese,romanian, serbian, arabic, uzbek, russian and macedonian. She has published the poetry books The Body of doubt (2013) and The identical fire (2015)

 

Name.

There is a name that I drink

Half solar alcohol, half secret water

 

There's a name that I scream

Mixed in the bustle of the other names.

 

There is a name that I caress

piece of forest, warm and persistent

 

There is a name that is river, sweet arrow and sweat

 

A name

                         That devours

my name.

 

The Irreducible Feast.

 

Millions of heavy glances thin the climate

And attack your fragile look of love.

The smell of a helpless, movable queen

Strangles the perfume that stirs your heart

The hunger of so many who forgot their own signs of light

Devour the flame

Which feeds only you .

In you there is a sweetness soaked with crime;

In the middle of the aridity, you hide a garden.

While outside only the terrified silence is breathed

There's music in your head, spinning in your veins.

Your love is an irreducible feast

In the middle of the massacre.

 

You Once Followed the trail of the Packs.

You once followed the course of the packs

Guided

By that smell of furrows

Possessed

By dizziness

Which spilled over the crowd.

Blind

You learned to bite

And tear like the others.

Dawn

Tore the canopy

Diminishing

The night

To offer you a horror

Newborn.

You killed your own in the dark.

You were part

Of the weakness that you devoured.

You were

The prey.

Bhisma Upreti is a poet and essayist. His Nine books of poems, one book of novel and Nine books of essays have been published. He is recipient of the first prize of National Poetry Competition organized by Nepal Academy. His works have been translated into English, Korean, Japanese, Hindi, Serbian, Slovenian, Sinhala and Tamil and have been appeared in various international journals and anthologies such as Grey Sparrow (USA), Skeleton (USA), Bridge of Fate (USA), The Art of Being Human, volume 5, 9 and 10 (Canada), Bouquet (Japan), Our Voices (India), The Nepalese Verses (Bangladesh), Asian Signature (India), The Enthusiast (England) and others. He is a secretary of Nepal Chapter of PEN International. He lives at Kathmandu with his family.

 

 

Worthiness

 

Afore leaving home in the morn

Detach did I my face from my body

And placed it in the frame on the wall

Next extracted my heart from my chest

Depositing it in the frame as well

Then segregating my brain from my head

Reverentially adorned the frame with it too!

 

I gazed at the frame

At the self satisfied picture it displayed

As if acknowledging the superfluous I.

Perceiving the left over me in the mirror

I decided-

Worthy was I to venture abroad

Capable of co-mingling with humanity.

 

So I dressed myself, wearing

A coat

A tie and glasses

Freshly polished shoes

For was I not a revered guest at the assemblage

I deserved to sprinkle perfume!

 

And looking at my bejeweled watch

I vacated my house!

 

Translated by Meenu Minocha

 

 

 

Sleep

 

 

Wealth,

fame,

a car,

ambitious plans,

bungalow, bed,

and a beautiful woman.

I have none with me.

 

But I have sleep

and that is truly sweet

and comforting.

If I lie down on a tattered sack,

by the road, in the portico of a house,

under the shade of a tree,

that comes all by itself

and touches me softly

like affectionate fingers

of my mother.

 

I do not know

 whether those who own

all other things,

do have sleep.

 

 Translated by Mukul Dahal

 

 

 

 

Page 1 of 16

লেখা পাঠাবার নিয়ম

মৌলিক লেখা হতে হবে।

নির্ভুল বানান ও ইউনিকোড বাংলায় টাইপকৃত হতে হবে।

অনুবাদ এর ক্ষেত্রে মুল লেখকের নাম ও সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি দিতে হবে।

আরো দিতে পারেন

লেখকের ছবি।

সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি।

বিষয় বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অঙ্কন চিত্র বা ছবি। 

সম্পাদক | Editor

তারিক সামিন

Tareq Samin

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

লেখা পাঠাবার জন্য

ইমেইল:

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

We use cookies to improve our website. Cookies used for the essential operation of this site have already been set. For more information visit our Cookie policy. I accept cookies from this site. Agree