‘নিরর্থক প্রহসনের ইতি’ : ভারজিনিয়া ওল্‌ফ -২

23 September 2018
Author :  

।। ২ ।।


‘The eyes of others our prisons; their thoughts our cages.’
উপন্যাসের মধ্যে লেখককে অন্বেষণ করা, যাকে পরিভাষায় textual-biographical interpretation বলে চিহ্নিত করা হয়, আত্মহত্যার সূত্র খোঁজা যেমন অনেকটাই নিয়মমাফিক, তেমনই উপন্যাসে, গল্পে ও প্রবন্ধে আত্মহননের সূক্ষ্মভাবে প্রথিত বীজের অন্বেষণও নিয়মানুগ। ভার্জিনিয়া ওল্‌ফ নিজেই লিখছেন : ‘Every secret of a writer’s soul, every experience of his life, every quality of his mind is written large in his works.’। মৃত্যুর ২০ বছর পর তাঁর স্বামী লিওনার্দ তাঁর ৫ খন্ড আত্মজীবনীতে (১৯৬০-১৯৬৯) ওল্‌ফের জীবনের শেষ বছরটির একটি পরিচয় দেন, যদিও নারীবাদী সমালোচকদের যে স্বভাবসিদ্ধ সন্দেহের তীর স্বামীর দিকে ছিল, লিওনার্দের তথ্যভিত্তিক অনুপুঙ্খ বিবরণ সমালোচকদের প্রশ্রয় দেয়নি। স্ত্রীর ডায়েরি ও জার্নাল থেকে তথ্য উদ্ধৃত করে ওল্‌ফের শেষ ৩১৯ দিনের (১৩ মে ১৯৪০ থেকে ২৮ মার্চ ১৯৪১) একটি চিত্র তিনি তুলে ধরেন।১৩ মে ১৯৪০ তারিখে ওল্‌ফ নিজে তার জীবনীকার রজার ফ্রাইয়ের কাছে প্রকাশের জন্য প্রুফগুলি পাঠিয়ে দেন এবং লিওনার্দের মতে এই সময় থেকেই ‘slow-moving catastrophe’ শুরু হয়ে যায়। তবে নিজের মনের ওপর অধিকার আত্মহত্যার মাস দুয়েক আগে পর্যন্ত চোখে পড়ত। শুধু এপ্রিল ১৯৪০ থেকে জানুয়ারি ১৯৪১, যেসময় দক্ষিণ ইংল্যান্ডে যুদ্ধ বিমানের হানা ক্রমশ বাড়ছে, তখন অন্যদের মতো ওল্‌ফকেও খুবই উদ্বিগ্ন দেখাত। মে-জুন ১৯৪০-এ ওল্‌ফ তখন পরিচিত ও বন্ধুদের সঙ্গে জার্মান আক্রমণের পরিণতি ও প্রতিরোধ নিয়ে আলোচনারত, কিন্তু উদ্বিঘ্ন। ওল্‌ফের উৎকন্ঠার একটা স্পষ্ট কারণ ছিলই। লিওনার্দ ইহুদি ছিলেন। নাৎসীদের হাতে পড়লে লিওনার্দের মতো রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ও বুদ্ধিজীবী ইহুদি ও তার স্ত্রীর কি দশা হবে তা অনুমানই করা যায়। ওলফ্‌ বলেই ফেলেছিলেন ‘We agreed that if the time came we would shut the garage door and commit suicide.’। তবে এই কথাটা ওল্‌ফের বলা বা লিওনার্দের উক্তি এ নিয়ে জীবনীকারদের মধ্যে দ্বিমত থাকলেও একটি ঘটনা থেকে অনুমান করা হয় যে হয়তো সিদ্ধান্তটি ওল্‌ফের : ১৯৪০ সালের জুন মাসে ওল্‌ফের মনোবিজ্ঞানী ভাই এড্‌রিয়ান স্টিফেন ওদের বাড়িতে মারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পরিমাণের মরফিয়া দিয়ে যান, যাতে জার্মান আক্রমণ হলে এর ব্যবহার হতে পারে। জীবনীকারদের একটি ভাষ্য যে এই সিদ্ধান্ত এক দম্পতির যৌথ সিদ্ধান্ত, এবং তা প্রত্যক্ষভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন জার্মান আক্রমণের প্রেক্ষিতে নেওয়া, কখনোই ওল্‌ফের বিষাদগ্রস্ত আত্মহত্যার ভাবনার কোনো সূত্র নির্দেশক নয়। ওল্‌ফ কোনোদিনও সেই মরফিয়া ব্যবহার করেননি এবং নিজের জীবনও সেই মরফিয়া দিয়ে শেষ করেননি।
বাকি বছরটা কর্মময় ও সৃষ্টিশীল থাকলেও মাঝে মাঝে ইনফ্লুয়েঞ্জা, ব্রংকাইটিস ও অত্যধিক মাথার যন্ত্রণা তার স্বভাবের স্বাভাবিক স্থৈর্যকে মাঝে মাঝেই চুরমার করে দিত। নভেম্বর ১৯৪০-এ তিনি তিনটি লেখা একসঙ্গে লিখছেন এবং ডিসেম্বরের মধ্যে তাঁর শেষ উপন্যাস ‘বিটুইন দ্য অ্যাক্টস’-এর খসড়াও শেষ করেন। কিন্তু এই সময় তাঁর লেখা বেশ কিছু চিঠির মধ্যে এক বন্ধু ডাক্তার অক্টোভিয়া উইলবার-ফোর্সকে তাঁর হতাশা ও আত্মসমালোচনার উল্লেখ করেন : ‘I have lost all power over words, can’t do a thing with them.’। এইসময় তাঁদের লন্ডনের বাড়ি এবং ব্যবসায়িক কেন্দ্র বিমান হানায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে সেখান থেকে রড্‌মেলমঙ্ক হাউসে তাদের আসবাব, দরকারি কাগজপত্র এবং ছাপাখানার জিনিসপত্র নিয়ে আসা হয়। লেখক এলিজাবেথ বাওয়েন যখন ফেব্রুয়ারিতে ওল্‌ফের সঙ্গে দেখা করতে আসেন তখন পুনরায় ইংরেজি সাহিত্যের একটা নতুন রূপরেখা পরে তৈরি করার ইচ্ছার কথা শোনেন। তখনও, বাওয়েনের মতে, অসুস্থতার চিহ্ন তার চোখে পড়েনি বরং ওল্‌ফের সরব হাসি তিনি স্মরণ করেন। লিওনার্দ ২৫ জানুয়ারি ১৯৪০ মানসিক ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ চিহ্নিত করেন। সেদিন ওল্‌ফের জন্মদিন ছিল, উপন্যাসের খসড়াটি তিনি পড়েছিলেন কিন্তু নভেম্বরে শেষ করার পর যা বলেছিলেন, ‘I am a little triumphant about the book…I’ve enjoyed writing almost every page….’--একদম বিপরীত হয়ে উঠল সেই প্রতিক্রিয়া, তাঁর দৃঢ় ধারণা বইটি ব্যর্থতার একটি চূড়ান্ত নিদর্শন। জন্মদিনের দিন পড়বার সময় উপন্যাসটি নিয়ে তাঁর ভয় আরও বাড়তে থাকে, যে ভয় দশ বারোদিন পরে আবার মিলিয়ে যায়। লিওনার্দ সবসময়েই ওল্‌ফের কিছু ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতেন। আত্মজীবনীতে লিখছেন, ‘বহুবছর ধরেই ভি’র(ভার্জিনিয়া) মনের গতিপ্রকৃতি ও অসুস্থতা-এর লক্ষণ ও বিপদে আমি অভ্যস্ত; আশঙ্কার লক্ষণগুলো সবসময়েই খুব ধীরে কিন্তু অবশ্যম্ভাবী হয়ে আসত--মাথাধরা ও যন্ত্রণা, ঘুম না হওয়া ও মনোযোগের চূড়ান্ত অভাব হওয়া।আমরা জানতাম যে এই ধরণের মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা যায় যদি ভি সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে সম্পূর্ণ গুটিয়ে নিয়ে নির্জীব হয়ে যায়। কিন্তু এবার কোনো লক্ষণ ছাড়াই অস্বস্তির সূত্রপাত।‘ যদিও ১৯১৫ সালে তার দীর্ঘতম অসুস্থতার সময় এরকম যে একবার হয়নি তা নয়।
ওল্‌ফের প্রতিষ্ঠিত ‘হগার্থ প্রেস’-এ তখন প্রতিষ্ঠিত লেখক জন লেহমেন কর্মরত। ওল্‌ফের লেখা শেষ কয়েকটি চিঠির একটি তিনি পেয়েছিলেন এবং মৃত্যুর তিন সপ্তাহ আগে তাদের দেখা হয়। ‘বিটুইন দ্য অ্যাক্টস’ উপন্যাসটির চূড়ান্ত খসড়াটি তাঁকে পড়তে দিলেও ওল্‌ফ তখন মোটামুটি নিশ্চিত যে কাজটা নিরর্থক হয়েছে। লেহমেন তাঁর রিকালেকশন বইতে লেখেন মার্চ ১৯৪১-এর সেই সাক্ষাৎকারের কথা : ‘একটা ব্যাপারে আমি খুব সচেতন হয়ে উঠেছিলাম যে ভার্জিনিয়া অস্বাভাবিক রকমের উদ্বিগ্ন ও ভীত, মাঝে মাঝেই হাত কাঁপছে যদিও কথা বলছেন স্পষ্ট ও গুছিয়ে। উপন্যাসটা হাতে নিয়ে তারপর একটু দ্বিধাগ্রস্ত ভাবে বলে উঠেছিলেন, যে ওটা কিছুই হয়নি, ছাপার অযোগ্য, ছিঁড়ে ফেলাই ভালো। যদিও খুব ভদ্রভাবে কিন্তু দৃঢ়তার সঙ্গে লিওনার্দ ওর কথার প্রতিবাদ করেছিলেন এবং এভাবে বলার জন্য সামান্য বকেওছিলেন...।‘ পড়তে গিয়ে লেহমেন পরে লক্ষ্য করেন যে এই প্রথম ওল্‌ফের নিজের টাইপ করা অদ্ভুত সব বানান বৈচিত্র্য। আগের যে কোনো লেখার চেয়ে অনেক বেশি অসংলগ্ন, বাক্য ও বানানে এক উৎকেন্দ্রিক সম্পর্ক--প্রতি পাতায় প্রচুর কারেকশন করতে করতে লেহমেনের মনে হয়েছিল যে, যে হাত এই লেখা লিখেছে তা ‘govern by high voltage electric current.’। আত্মহত্যার ঠিক আগের দিন আবার ওল্‌ফ উপন্যাসটি ছাপার অযোগ্য বলে যে চিঠি লেখেন তার সঙ্গে লিওনার্দের ছোট্ট একটি চিরকুট যুক্ত ছিল। ওল্‌ফ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও বিধ্বস্ত, সুতরাং ওর বক্তব্যকে গুরুত্ব না দেওয়ার ইঙ্গিত খুব স্পষ্ট ছিল। কিন্তু চিঠিটি লেহমেন যখন পান তখন সব শেষ। বুদ্ধিদীপ্ত হাস্যরস, সাহিত্যের বিষয় ও প্রকরণগত দিক নিয়ে সক্রিয় আন্দোলনকারী ততক্ষণে বেদনা, বিষাদ ও এক অব্যক্ত ভয়ে নিজেকে নিঃশেষ করে ফেলেছেন।

 

 

।। ৩ ।।


‘It is the nature of the artist to mind excessively what is said about him. Literature is strewn with the wreckage of men who have minded beyond reason the opinions of others.’
কয়েকটি উপন্যাসের মধ্যে লেখকের সৃজনশীল সত্তার পাশাপাশি,সূক্ষ্ম শিল্পবোধের প্রকাশের সঙ্গে আত্মহননের বুনোট চোখ এড়ায় না। ১৯২৫ সালে প্রকাশিত ‘মিসেস ড্যালোওয়ে’ উপন্যাস তাঁকে ঔপন্যাসিক হিসেবে যে প্রতিষ্ঠা দিয়েছিল তা মূলত তার interior monologue বা stream of consciousness শৈলিতে সফল পরীক্ষার জন্য। নিঃসঙ্গতা ও প্রেম এই দুইয়ের সমস্যাকে একান্ন বছরের এক নারীচরিত্র ক্ল্যারিসা ড্যালোওয়ের চরিত্রের চিন্তার প্রবাহ ধরে এগিয়ে পরিণতিতে দিনের শেষে এই চরিত্রের জানলা দিয়ে ঝাঁপিয়ে আত্মহত্যার মধ্যে দিয়ে শেষ। আসলে ক্ল্যারিসা ও তার স্বামী রিচার্ড ড্যালওয়ে সন্ধ্যায় বাড়িতে একটি অনুষ্ঠানে আয়োজনের জন্য ফুল ও অন্যান্য কেনাকাটায় লন্ডন শহরে বেরিয়ে, ক্ল্যারিসার চেতনার প্রবাহ অনুসরণ করে, তার অতীত, বর্তমানের ভেদরেখা মুছে, তৎকালীন সমাজের প্রাচুর্যের শৌখিনতায় বন্দী মহিলাদের ঝলমলে জীবনকে একটুকরো অন্ধকার কি করে গ্রাস করে নেয়, তার ব্যঞ্জনায় মুখর। পার্টি চলাকালীন ক্ল্যারিসার আত্মহত্যার সংবাদ, সকাল থেকে সন্ধ্যার এই একদিনের চরিত্রের চেতনার প্রবাহের মধ্যে দিয়ে জীবনের অর্থহীনতা, রহস্যময়তা, মানব সম্পর্কের জটিলতাকে যেভাবে বিবস্ত্র করে ফেলে, তখন আত্মহত্যা শিল্পগতভাবে আরোপিত হয় না, aesthetic compulsion মনে হয় না।
আবার ‘টু দ্য লাইট হাউস’ উপন্যাসেও (১৯২৭) একদল চরিত্রকে হেব্রিডিস দ্বীপপুঞ্জে গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে আপাত সহজ অথচ নৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা জর্জরিত এক জটিল মানবিক সম্পর্কের আবর্তে ছেড়ে দেন। সচেতনভাবে এই উপন্যাসে, সাংকেতিক শব্দচিত্র, চরিত্রের চেতনার প্রবাহের সংলগ্ন অসংলগ্ন ভাষার ব্যবহার একদিকে সৃষ্টি ও স্রষ্টার যন্ত্রণা ও আনন্দকে যেমন প্রকাশ করে, অন্যদিকে ভার্জিনিয়া ওল্‌ফ যে প্রথাগত উপন্যাসের সবকিছু ভেঙ্গে এগোচ্ছেন তা বুঝতে অসুবিধে হয় না। উপন্যাসের তিনটি পর্বের একটিতে একজন বয়স্ক কবি ও চিত্রকরের সৃষ্টির ব্যথা ও আনন্দ, দ্বিতীয়টিতে মানুষের মনে মৃত্যুর প্রভাবের ক্ষণিকত্ব, এবং তৃতীয় অংশে জীবনের নিঃশেষ না হয়ে যাওয়া উদ্যমের এক অদ্ভুত বৈপরীত্য উপন্যাসটিকে পঙ্‌ক্তিভুক্ত হতে দেয় না। এই দুটো উপন্যাস থেকেই ব্যক্তিজীবনের উপাদানের চেয়েও, অভিজ্ঞতার চেয়েও, সৃষ্টির স্বয়ংসম্পূর্ণতা অনেক বেশি লক্ষণীয়। আরও লক্ষণীয় ওল্‌ফের লেখক হিসেবে উদ্দেশ্যের একমুখীনতাঃ ‘If a writer were a free man and not a slave, if he could write what he chooses, not what he must...there would be no plot, no comedy and tragedy, no love interest and catastrophe in the accepted style.’
ব্যক্তিজীবনের স্থায়ী ক্ষত বা পরিবারের সকলের সাথে গ্রীষ্মকালের অবকাশের অভিজ্ঞতার পুঁজি দিয়ে ওল্‌ফের উপন্যাসের আলোচনাকে বিস্তৃত করা গেলে আত্মহত্যার ময়নাতদন্ত সম্ভব নয়। ১৯২৮ সালের ‘অরল্যান্ডো’ উপন্যাস প্রকৃতিতে জীবনীমূলক, তীব্র বিদ্রূপের আঘাতে প্রচলিত জীবনীকারদের ব্যঙ্গচিত্র, আবার ‘দ্য ওয়েভস’ (১৯৩১) আত্মকথন পদ্ধতির বাইরে গিয়ে ছয় বন্ধুর আবৃত্তিধর্মী আত্মপ্রতিফলন, গদ্য কবিতার আঙ্গিকে লিখিত। শেষ উপন্যাস ‘বিটুইন দ্য অ্যাক্টস’ (১৯৪১) তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হলেও লেখকের মূল ভাবনাগুলো যা সব উপন্যাসেই উপস্থিত তা পরিবর্ধিত আকারে প্রক্ষিপ্ত : শিল্পের মধ্যে দিয়ে জীবনের রূপান্তর, নরনারীর সামাজিক, ব্যক্তিক ও যৌন সম্পর্কের বৈপরীত্য,সময় ও জীবনের ক্ষণিকত্ব ও পরিবর্তনশীলতা-এ বিষয়গুলোর মধ্যে সংঘাত থেকে ধংসাত্মক পরিণতি, কখনো বা সৃষ্টির সামান্য স্ফুলিঙ্গ--যে কল্পনা কথনে সাংকেতিকতার সর্বোচ্চ প্রকাশ, তা সমালোচকদের মতে ইংরেজি সাহিত্যে দুর্লভ।

 

(চলবে) …

 

 

তৃতীয় পর্ব:

 

‘নিরর্থক প্রহসনের ইতি’ : ভারজিনিয়া ওল্ফ -৩

 

 

প্রথম পর্ব:

‘নিরর্থক প্রহসনের ইতি’ : ভারজিনিয়া ওল্‌ফ -১

 

 

176 Views
Literary Editor

লেখা পাঠাবার নিয়ম

মৌলিক লেখা হতে হবে।

নির্ভুল বানান ও ইউনিকোড বাংলায় টাইপকৃত হতে হবে।

অনুবাদ এর ক্ষেত্রে মুল লেখকের নাম ও সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি দিতে হবে।

আরো দিতে পারেন

লেখকের ছবি।

সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি।

বিষয় বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অঙ্কন চিত্র বা ছবি। 

সম্পাদক | Editor

তারিক সামিন

Tareq Samin

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

লেখা পাঠাবার জন্য

ইমেইল:

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

We use cookies to improve our website. Cookies used for the essential operation of this site have already been set. For more information visit our Cookie policy. I accept cookies from this site. Agree