প্রবন্ধ

প্রবন্ধ (2)

  • 05
  • Jul

 

|| আবুল খায়ের ||

 

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হলো ফুটবল। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার আসর হওয়ার পর থেকে শুরু করে, কালের বিবর্তনে এ খেলায় এসেছে অনেক পরিবর্তন, জনপ্রিয়তাও বেড়েছে অনেকগুণ বেশী। ২০১৮ সালে দাঁড়িয়ে ফিফা বিশ্বকাপ বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও উত্তেজনায় ভরপুর একটি খেলা। পৃথিবীর ২৩০ টি দেশের মধ্যে এমন কোন দেশ পাওয়া যাবে না, যেখানে ফিফা ফুটবল খেলা উপভোগ করা হচ্ছে না। সারা বিশ্বব্যাপী চলছে বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা। শিশু থেকে শুরু করে বয়ো-বৃদ্ধ পর্যন্ত খেলা দেখা, উপভোগ করা ও সাথে সাথে আবেগ, উচ্ছ্বাস প্রকাশ করা নিয়মিত ব্যাপার। আর এ থেকে দূরে থাকা মানে পিছিয়ে পড়ার মতো অবস্থা। যেন কোন গুরুত্বপূর্ণ কিছুকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া। তবে ভয়াবহ ও চিন্তার বিষয় হলো, বর্তমান অবস্থায় খেলা দেখা; আবেগ বা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করার মধ্যে আর সীমাবদ্ধ নেই। রীতিমতো মারামারি বা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার নানা রকম ফন্দি ফিকির করতে দেখা যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অভিজাত এলাকার রেস্টুরেন্টে বসে প্রিয় দলের পক্ষে বা প্রিয় খেলোয়াড়ের পক্ষে সাফাই গাওয়া অব্যাহত থাকছে স্বার্থ-হীনভাবে। বিতর্কের ঝড় এখন তুঙ্গে। তর্ক-বিতর্ক করা ছাড়াও মারামারিতে জড়িয়ে পড়তেও দেখা যাচ্ছে কোথাও কোথাও।

এদেশে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থক সবচেয়ে বেশী । ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার খেলাকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর সেনবাগে, ডুমুরিয়া গ্রামে সমর্থকদের মধ্যে বিতর্কে জড়িয়ে মারামারিতে কয়েকজনকে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবরও পত্রিকায় দেখা গেছে। একইভাবে দু’দল প্রতিপক্ষ সমর্থকদের মধ্যে লক্ষীপুরেও ঘটেছে মারামারির ঘটনা। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় প্রতিদিনই কিছু না কিছু ছোট-খাটো অপ্রীতিকর ঘটনার সূত্রপাত হতে দেখা যাচ্ছে। যা আশংকাজনক ও চিন্তার বিষয়ও বটে।

ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে ঠিকই। কিন্তু ফুটবল খেলায় এখনো অনেক পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ, তা বলার অপেৰা রাখে না। যদিও অতি সম্প্রতি নারী ফুটবলে কিছুটা হলেও আলোর মুখ দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের সদস্যগণ, আমাদের মুখ কিছুটা হলেও উজ্জ্বল করতে সচেষ্ট হয়েছে এবং কৃতিত্বের দাবীও রাখছে বিশ্ব ইতিহাসে। বলা বাহুল্য যে, জনপ্রিয় এ খেলার প্রতি বাঙালীদের আগ্রহ, উৎসাহ ও উদ্দীপনা অন্য যেকোনো খেলার চেয়ে অনেক বেশী। দিন দিন তা বেড়েই চলছে। আর সেটা বহুবছর আগে থেকেই হয়ে আসছে। বড় বড় পতাকা বানিয়ে রাস্তায়, হাটে, ঘাটে, বাজারে টাঙিয়ে দেয়া; এমনকি বাড়ির ছাদে পতপত করে উড়তে দেখা যাচ্ছে প্রিয় দল বা সমর্থিত দেশের পতাকা। নিজের পছন্দের দলের পক্ষে সমর্থকদের কেউ তিন কিলোমিটার আবার কেউ পাঁচ কিলোমিটার লম্বা পতাকা বানিয়ে জানান দেয়ার চেষ্টা করছে যে, তারা তাদের প্রিয় দলকে কতোটা ভালোবাসে। কেউ পুরো বহুতল বাড়িকে দলের পতাকার রঙে রাঙিয়ে একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে নিজেকে জাহির করার সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে। আবার কেউ শত শত পতাকা দিয়ে পুরো এলাকাকে পছন্দের দল বা দেশের পতাকায় সাজিয়ে তুলছে। খেলায় জিতলে খিচুরি, পোলাও-বিরানী বা খানাপিনার ব্যবস্থা ছাড়াও; অনেকে রীতিমতো মেজবানি খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করতে দেখা যাচ্ছে।

কোন কোন বাড়িতে একাধিক দলের পতাকা শোভা পাচ্ছে। কারণ পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন দলের সমর্থক। কেউ জার্মানি, কেউ ফ্রান্স, পর্তুগাল বা কেউ আর্জেন্টিনা, কেউ ব্রাজিল। এমন কোন বাড়ি নেই, যে বাড়িতে কোন না কোন দলের বা দেশের পতাকা টাঙানো হয়নি। কার পতাকার সাইজ কতো বড়, এ নিয়ে খোশগল্প করতে দেখা যায় সমর্থকদের মধ্যে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটার, ফেসবুকে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় বা দলের নানা রকম ব্যঙ্গ চিত্র বা ছবি প্রকাশ করতে দেখা যাচ্ছে। নিজের প্রিয় দল খেলায় হেরে গেলেও চলে নানা রকম কসরত প্রদর্শন। গালি-গালাজ ও অশোভনীয় আচরণ করতেও দেখা যাচ্ছে কাউকে কাউকে। যেটা কোনক্রমেই উচিত নয়। খেলা নিয়ে যেকোনো ধরনে অসদাচরণ পরিহার করা সকলের কাম্য।

বাংলাদেশে নেইমার ও মেসির ভক্ত বেশী । খেলার সময় এই খেলোয়াড়দের কোন রকম ভুল হতে দেখলেই চলে তুমুল বিতর্ক, উচ্ছ্বাস বা আবেগ তাড়িত হই-হুল্লোড়। আবার খেলায় ভালো করা বা গোল করা দেখলেও সমর্থকদের মধ্যে চলে একই ভাবে আনন্দ প্রকাশের আয়োজন। নানা রকম মন্তব্য বা স্ট্যাটাস দিয়ে জানান দেয়া হয় যে আমার প্রিয় খেলোয়াড়ই কেবল এমনটি করতে পেরেছে। আর এই সব টাইমলাইনে বা স্ট্যাটাসে মন্তব্য করতেও হুমড়ি খেয়ে পড়ে সমর্থকরা। কার স্ট্যাটাসে কতোগুলো লাইক বা মন্তব্য পড়েছে তা নিয়েও চলে আলোচনা ও সমালোচনা। হাতাহাতি, মারামারি, আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ এই রকম ছোটো খাটো অনেক ঘটনা কিন্তু থাকছেই নিয়মিত। ঢাকাতে এক আর্জেন্টিনা ভক্তের সুইসাইড করার ঘটনাও ঘটেছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেছে। এরকম ঘটনা বিশ্বের আর কোথাও দেখা গেছে কিনা! সেই রকম কোনো তথ্য জানা যায়নি। কিন্তু বাংলাদেশে ঘটছে! সম্প্রতি ব্রাজিলের তিনজন সাংবাদিক বাংলাদেশ সফর করে এ মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশের মতো এতো ব্রাজিলের সমর্থক পৃথিবীর আর কোথাও তারা দেখেননি। একই কথা দাবী করছে আর্জেন্টিনার সংবাদ মাধ্যমগুলো! তাঁদের ভাষায় এটা একটা বিরল ঘটনা। কারণ এতো দূরের দেশ ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা। যে দেশগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে অনেকেই কিছু জানে না। জানার সুযোগও নেই। কিন্তু ফুটবলারদের নাম অনেকেরই মুখস্থ এবং ফুটবল দলের প্রতি অন্ধ সমর্থন এতো বেশী, যা কল্পনাতীত!।

এখন প্রশ্ন হতে পারে। খেলা নিয়ে কেন এতো উৎসাহ বা উচ্ছ্বাস? কেউ কেউ বলেন, দেশে বেকার ও হতাশাগ্রস্তদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণেই খেলা দেখার জন্য যথেষ্ট সময় পাচ্ছে এবং সমর্থকদের অহেতুক ঘটনা প্রবাহ জন্মদিতে সহায়ক পরিবেশ পাচ্ছে। বিনোদন প্রিয় বাঙালির বিকল্প কোন বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকায়, ফুটবল খেলা দেখা ও উপভোগ করাকে বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করাও উচ্ছ্বাস প্রকাশের কারণ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

তবে চিন্তার বিষয় এই যে, ভিনদেশী পতাকার সাইজ বিরাট আকার, তার পাশেই ছোট একটা বাংলাদেশের পতাকা উড়ানো কেমন যেন একটা বেমানান। এটি নিজ দেশের পতাকার প্রতি অপমানজনক কিনা তা ভেবে দেখার সুযোগ আছে। আবার কেউ কেউ একই বাঁশের খুঁটিতে একেবারে বাঁশের মাথায় ছোট একটা বাংলাদেশের পতাকা এবং তারই একটু নীচে বিরাট সাইজের একটা ভিনদেশীয় পতাকা উড়ানো; কেমন যেন একটু দৃষ্টিকটু এবং আপত্তিকরও মনে হয়। এধরনের উচ্ছ্বাস সমর্থনযোগ্য কিনা? বা  উচিত কিনা? তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। দিন দিন এসব যেন সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশী না হয়ে যায়, সেদিকেও সচেতন নাগরিকদের খেয়াল রাখতে হবে। অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস যেন ক্ষতিকর কোন কিছুকে উসকে দিতে না পারে। এবং নিজের সংস্কৃতির ওপর কোনরূপ নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে সংশ্লিষ্টদের। আগে দেশীয় ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশ, পরে অন্য সব। তাই, ফুটবল খেলায় বাংলাদেশের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে, বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের ফুটবল একসময় বিশ্বকাপ বিজয়ে সামর্থ্য অর্জন করবে, সেই প্রত্যাশায় কাজ করার এখনই সময়।

 

  • 09
  • Jun

তারিক সামিন।

 

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ। লেখক হিসেবে হুমায়ূন আহমেদ এর সবচাইতে বড় সাফল্য বাংলাদেশের মানুষকে তিনি বই পড়া, বই কেনার অভ্যাস তৈরি করিয়ে ছিলেন। এমন বহু পাঠক আছে যারা তার প্রায় সব বই পড়েছেন, সেই সাথে কিনেছেনও বিস্তর। তার উপন্যাসের লিখন ভঙ্গি অসাধারণ। অল্প কথায় এমন হাস্যরস তৈরীর অপূর্ব ভঙ্গিমা বাংলাদেশের অন্য লেখকদের মাধে অনুপস্থিত। তার টেলিভিশন নাটক গুলোর জনপ্রিয়তা প্রবাদতুল্য। তবে এ সময়ের অনেক পাঠক বোধ করি হুমায়ূন আহমেদ এর ছোটগল্প সমন্ধে জানেন না। আমার মতে, হুমায়ূন আহমেদের ছোট গল্প গুলো বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। তার অনেক উপন্যাস হালকা মেজাজে লেখা হলেও, তার অনেক গল্প রাশভারী মেজাজের । গল্পে তিনি প্রতিবাদী, সমাজের বহু অনিয়ম দেখিয়েছেন চোখে আঙ্গুল দিয়ে। 

তার ছোটগল্প ‘খাদক’ রূপক অর্থে একনায়কতান্ত্রিক শোষন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লেখা। যেখানে গল্পের নায়ক মতি মিয়া একজন খাদক। আস্ত গরু, খাসি বা আধ মন জিলাপী খায় বাজি ধরে। গল্পের নায়ক মতি মিয়া বলছে, ‘আল্লাহতালা একটা বিদ্যা দিছে খাওনের বিদ্যা, অন্য কোন বিদ্যা দেয় নাই’। হুমাযূন আহমেদ লিখেছেন, ‘পেট বের হওয়া হাড় জিড়জিরে কয়েকটি শিশু। চোখ বড় বড় করে বাবার খাবার দেখছে। শিশুগুলো ক্ষুর্ধাত। হয়তো রাতেও কিছু খায়নি। বাবা একবারও তার বাচ্চাগুলোর দিকে তাকাচ্ছে না’। একনায়কতান্ত্রিক শোষণের বিরুদ্ধে কাল উত্তীর্ণ একটি গল্প। তার রচিত গল্প ‘ভয়’ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এক অসাধারণ উচ্চারণ।

তার অপর গল্প ‘কবি’। যেখানে নায়ক একজন পেশাদার প্রুফ রিডার ও কবি। ঘরে তার অসুস্থ কন্যা। তবুও প্রুফ দেখে দিচ্ছেন। প্রকাশক তাকে শোষণ করেছে সামান্য টাকার বিনিময়ে। তার আরো একটি গল্প ‘আনন্দ বেদনার কাব্য’তে তিনি লিখেছেন গরিব স্কুল মাষ্টার কবিতা লিখেন, হঠাৎ ইচ্ছে হলো একটা কবিতার বই বের করবেন, তার দশম শ্রেনী পড়ুয়া মেয়ে তার কবিতার বই এর প্রচ্ছদ এর জন্য একটা ছবি একে দিল। তারপর কিছুদিন পর মেয়েটি অসুখে মারা যায়। কোনো প্রকাশক বিনা পয়সায় কবিতার বই ছাপবেনা। তাই গরিব পিতা পাচঁ বছর ধরে তিলে তিলে বই ছাপার টাকা সঞ্চয় করলেন মেয়ের স্মৃতি ধরে রাখতে। তারপর সেই বই বের হলে তা উপহার দিলেন লেখক হুমাযূন আহমেদকে। লেখকদের প্রতি হুমায়ূন আহমেদের ছিল অপরিসীম মায়া।

আমাদের দেশের প্রকাশকদের দূনীর্তি ও নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে মানুষকে সচেতন করেছিলেন তিনি। তার জাদুকরি লেখার ভঙ্গি ও জনপ্রিয়তার কাছে হার মেনেছে এদেশের প্রকাশকেরা। শোনা যায়, যদি একটি বই পাওয়া যায় সেই আশায় টাকার বস্তা নিয়ে হুমায়ুন আহমেদের ফ্লাটে বসে থাকতেন অনেক প্রকাশক। বই পড়ুয়া জাতি যে কত অনিয়ম, অনাচার নিজের অজান্তেই প্রতিরোধ করতে পারে। তার উদাহরন সে সময়ের প্রকাশনা শিল্প।

সরল প্রাণ এই লেখক তার ‘শাহ্ মকবুল’গল্পে তিনি নিজের কথা লিখেছেন, ‘আমি ধরেই নিলাম প্রুফ রিডার মতির দেখা আর পাওয়া যাবে না। সে প্রুফ ভালো দেখতো তাতে সন্দেহ নেই। আমার মতো বানানে দুর্বল লেখকের জন্য এটা দুঃসংবাদ’। একজন লেখক কত উদার মনের হলে নিজের এমন দুর্বলতার কথা অকপটে জানাতে পারেন, তা একমাত্র লেখকরাই বুঝবেন। 

তার রচিত আরো অসাধারণ কিছু গল্প উনিশ শ’ একাত্তর, জুয়া, জীবনযাপন, জলিল সাহেবের পিটিশন, শিকার, ফেরা, একজন ক্রীতদাস, অয়োময়, অচিনবৃক্ষ, সৌরভ, লিপি, গন্ধ, অতিথি, ইত্যাদি।     

এই লেখকের কর্মমুখর জীবনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

Better World Books Good Reading

লেখা পাঠাবার নিয়ম

মৌলিক লেখা হতে হবে।

নির্ভুল বানান ও ইউনিকোড বাংলায় টাইপকৃত হতে হবে।

অনুবাদ এর ক্ষেত্রে মুল লেখকের নাম ও সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি দিতে হবে।

আরো দিতে পারেন

লেখকের ছবি।

সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি।

বিষয় বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অঙ্কন চিত্র বা ছবি। 

সম্পাদক | Editor

তারিক সামিন

Tareq Samin

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

লেখা পাঠাবার জন্য

ইমেইল:

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

We use cookies to improve our website. Cookies used for the essential operation of this site have already been set. For more information visit our Cookie policy. I accept cookies from this site. Agree