Night Bus

 

 

|| Pavol Janik ||

 

Mgr. art. Pavol Janik, PhD., (magister artis et philosophiae doctor) was born in 1956 in Bratislava, where he also studied film and television dramaturgy and scriptwriting at the Drama Faculty of the Academy of Performing Arts (VSMU). He has worked at the Ministry of Culture (1983–1987), in the media and in advertising. President of the Slovak Writers’ Society (2003–2007), Secretary-General of the SWS (1998–2003, 2007–2013), Editor-in-Chief of the literary weekly of the SWS Literarny tyzdennik (2010–2013). Honorary Member of the Union of Czech Writers (from 2000), Member of the Editorial Board of the weekly of the UCW Obrys-Kmen (2004–2014), Member of the Editorial Board of the weekly of the UCW Literatura – Umeni – Kultura (from 2014). Member of the Writers Club International (from 2004). Member of the Poetas del Mundo (from 2015). Member of the World Poets Society (from 2016). Director of the Writers Capital International Foundation for Slovakia and the Czech Republic (2016–2017). Chief Representative of the World Nation Writers’ Union in Slovakia (from 2016). Ambassador of the Worldwide Peace Organization (Organizacion Para la Paz Mundial) in Slovakia (from 2018). He has received a number of awards for his literary and advertising work both in his own country and abroad.

This virtuoso of Slovak literature, Pavol Janik, is a poet, dramatist, prose writer, translator, publicist and copywriter. His literary activities focus mainly on poetry. Even his first book of poems Unconfirmed Reports (1981) attracted the attention of the leading authorities in Slovak literary circles. He presented himself as a plain-spoken poet with a spontaneous manner of poetic expression and an inclination for irony directed not only at others, but also at himself. This style has become typical of all his work, which in spite of its critical character has also acquired a humorous, even bizarre dimension. His manner of expression is becoming terse to the point of being aphoristic. It is thus perfectly natural that Pavol Janik's literary interests should come to embrace aphorisms founded on a shift of meaning in the form of puns. In his work he is gradually raising some very disturbing questions and pointing to serious problems concerning the further development of humankind, while all the time widening his range of themes and styles. Literary experts liken Janik's poetic virtuosity to that in the work of Miroslav Valek, while in the opinion of the Russian poet, translator and literary critic, Natalia Shvedova, Valek is more profound and Janik more inventive. He has translated in poetic form several collections of poetry and written works of drama with elements of the style of the Theatre of the Absurd.

Pavol Janik’s literary works have been published not only in Slovakia, but also in Albania, Argentina, Belarus, Belgium, Bosnia and Herzegovina, Bulgaria, Canada, Chile, Croatia, the Czech Republic, France, Germany, Hungary, India, Israel, Italy, Jordan, Kosovo, Macedonia, Nepal, the Republic of China (Taiwan), Poland, Romania, the Russian Federation, Serbia, South Korea, Spain, Syria, Turkey, Ukraine, United Kingdom, the United States of America and Venezuela.

  

Night Bus

-Pavol Janik

 

I admire the smiles

of the wax figures

and the drunks.

 

Their faith.

Their humility.

Their precision.

Their infallible wisdom

determined by the office of normalization.

 

I admire

their wallpapered souls

full of light and brocade.

Their responsibility and legality

surpassing

the price of taxis and wine.

 

I’m terrified by the indifference

with which they listen

to the heavy breathing of the last trolley buses.

 

 

(1981)

 

|| সালমা তালুকদার ||

 

মাঝে মাঝে রং চা টা খেতে ভালোই লাগে। ট্রান্সপারেন্ট মগে চায়ের রং টা দারুণ লাগে দেখতে। আজ এলাচ,দারচিনি,লং সব দিয়েছি। সাথে একটু লেবুর রস।বাহ্! স্বাদটাও চমৎকার হয়েছে। ভেবেছিলাম গরম চা খেতে খেতে রাস্তার গাড়ি দেখতে ভালোই লাগবে। বারান্দায় বসে হারিয়েও গিয়েছিলাম রাস্তার ব্যস্ততা দেখতে দেখতে। 

চোখের সামনের সবকিছু ঝাপসা হয়ে উঠে। যখন তৃতীয় চোখটা প্রাণ পেল; তখনই চা এর স্বাদটা তেতো হয়ে গেলো। চোখের সামনে তখন হাস্যোজ্জ্বল দুটো মুখ স্পষ্ট হয়ে উঠলো। দু'জনই ভীষন হাসি খুশি।খুনশুটি করছে আর হাসতে হাসতে একজন আরেকজনের গায়ে গড়িয়ে পরছে। দৃশ্যটা ধানমন্ডির একটা রেস্টুরেন্টের।

অফিসের একটা কাজে আজ একটু ধানমন্ডি যেতে হয়েছিলো। দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য ঢুকে যেই না কোনার দিকের একটা টেবিলে বসতে যাব! অমনি রিনিঝিনি হাসির শব্দ লক্ষ্য করে তাকাতেই চোখে পরলো নুপূর আর রিয়াদ। চোখে পরার পর রিনিঝিনি হাসিটা ডাইনীর হাসির শব্দের মত মনে হলো। ভাবলাম উঠে যাই। তারপর ভাবলাম উঠবো কেন! আমার টাকায় আমি খেতে এসেছি।পেটে ক্ষিদে চোঁ চোঁ করছে। তাহলে কেন বেইমান দুটো মানুষের জন্য উঠে যাব! আমি একটু জোড়েই ওয়েটারকে ডাকলাম। পরিচিত কন্ঠ কানে যাওয়া মাত্র দু'জনের মাথা একসাথে ঘুরলো।

আমি অবশ্য তাকাইনি। চোখের কোন দিয়ে খেয়াল করলাম তাড়াহুড়ো করে উঠে যাচ্ছে দু'জনে। টেবিলে পরে রইলো ফ্রাইড রাইস,বিফ সিজলিং,চিকেন কারীর আধা খাওয়া অংশ। কোল ড্রিঙ্কস তো ছুঁয়েই দেখেনি। আহারে !মায়াই লেগেছিলো তখন। রিয়াদের টাকার তো সবসময়ই সমস্যা। গত পাঁচ বছরে ওর মুখে নাই নাই আর নাই ছাড়া কিছু কখনো শুনেছি বলে মনে পরে না। তার মধ্যে এত গুলো খাবার নষ্ট।

চা এর তেতো ভাবটা সরাতে আরো এক চামচ চিনি দিলাম। এখন হয়ে গেলো গরম শরবত। ধূর চা--ই খাবো না। বেসিনের পানির সাথে চা টা ভাসিয়ে দিলাম। কলিংবেল তার স্বরে বেজে উঠলো। দরজা খুলতেই তামিম হুরমুর করে ঘরে ঢুকলো। সোজা বেড রুমে ঢুকে হাতের মোবাইল,ল্যাপটপের ব্যাগ সব ছুঁড়ে ফেললো খাটে। তারপর তার চিরাচরিত স্বভাব বশত সটান হয়ে শুয়ে পরলো বিছানায়। আমি কিছুই বললাম না। কি আর বলবো! তামিমের এই অত্যাচার টুকু সহ্য না করলে যে বাঁচাটাই মুস্কিল হয়ে যেত। ওর মাথার কাছে বসে কপালে মুখে হাত বুলাতে বুলাতে বললাম,

 "একটু হাত মুখটা অন্তত ধুয়ে এসো।"

 যেন গরম কড়াইয়ের তেলে একটু পানির ছিটা পরলো। এমন করে গলায় ঝাঁঝ ঢেলে তামিমের উত্তর, "কেন?আমি কি বাসে চড়ে,ঘামে ভিজে তোমার বিছানায় এসে উঠেছি নীল?"

"না,তা তো বলিনি?"

"থাক তোমার আর বলতে হবে না। জানো কত জরুরী মিটিং ছিল। তাড়াহুড়ো করে শেষ করে তোমার কাছে ছুটে এসেছি।”

 "জানি গো জানি। কিন্তু আমার যে তোমাকে না ডেকে উপায় ছিল না। মনটা ভীষন রকম খারাপ।"

 তামিম চট করে উঠে বসলো। দুই হাতের তালুতে আমার মুখটি ধরে উঁচু করে গভীর কন্ঠে বললো,

 "কি হয়েছে আমার সোনা বউটার? তুমি জানো না তোমার মন খারাপ আমার ভালো লাগে না।"

এই হচ্ছে তামিম। রিয়াদের সাথে বিচ্ছেদের ঠিক এক বছর পর তামিমের সাথে পরিচয় একটা পিকনিকে। রিয়াদ যখন নূপুরের সাথে জমিয়ে প্রেম করছে আমি তখন রাতের পর রাত একা বিছানায় ছটফট করেছি আর চোখের জলে বালিশ ভিজিয়েছি। দিনগুলো খারাপ কাটতো না। অফিসের কলিকদের সাথে আড্ডা দিয়ে,কাজ করে সময় গুলো যেন উড়ে যেত।

সেদিন ছিলো পিকনিক। অফিস থেকে আয়োজন করেছিলো। গেস্ট আনার অনুমতি ছিলো। সেই সুবাদে সুব্রত ওর বন্ধু তামিমকে নিয়ে এসেছিল। সুব্রত আমার কলিগ। আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে সুব্রত লিনার সাথে ভেগেছিল। খুব ভাব হয়েছিল সুব্রত আর লিনার। ভালোবাসা আসলে ধর্মও মানে না। তামিম একটা প্রানোচ্ছল ছেলে। অল্পক্ষনের মধ্যেই খুব ভাব হয়ে গেলো ।ভাব থেকে টেলিফোন নাম্বার আদান প্রদান। দুঃখ শেয়ার। অবশেষে একসাথে থাকা। আমার আর তামিমের ছোট সংসার। বিয়ে ছাড়া টোনাটুনির সংসার। ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে কেউ কাউকে বিস্তারিত কিছু বলার প্রয়োজন মনে করিনি কখনো। দু'জন দু'জনের সাথে কথা বলছি। একাকিত্ব দূর হচ্ছে; এটাই বা কম কিসে! তবে রিয়াদের সাথে ব্রেকআপের কথাটা হালকা স্বরে বলেছি একদিন। এতে তামিমের কোনো প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করলাম না। কিছু জানতেও চায়নি। আবার আমি যখন ওর সম্পর্কে কিছু জানতে চেয়েছিলাম। ও এরিয়ে গেছে। আমিও আর কথা বাড়াইনি।

রিয়াদের প্রতারণায় আমার পৃথিবী যখন ওলট পালট; তখন বিয়ে নামক সামাজিক বন্ধনে একটা ঘেন্না ধরে গিয়েছিল। তামিম সেখান থেকে আমাকে উঠিয়ে এনেছে। তাই তামিমই এখন আমার সব। মানুষ আসলে একটা অবলম্বন চায়। অবলম্বন ছাড়া মানুষ বড় অসহায়।

 তামিমের রোমশ বুকে হাত বুলাতে বুলাতে প্রশ্ন করি, "ভালোবাসো?"

তামিম তার সর্বশক্তি দিয়ে জড়িয়ে ধরে বলে,"বাসি গো বাসি।"

 "কতটা বাসো?"

 তামিমের মৃদু হাসি, "এই এক প্রশ্ন ছাড়া তোমার কোনো প্রশ্ন নেই?"

 আমার কপট রাগ, "না নেই।"

 তামিম এবার ওর পুরো শরীরের ভার আমার উপর দিয়ে আমার ঠোঁট দুটো ওর মুখে পুরে নিল।যেন কমলা লেবু চুষছে। এমন করে চুষতে থাকলো। তারপর মুহূর্তে আমার শরীরের বাহ্যিক আভরণ সব অভ্যস্থ হাতে খুলে ফেললো। আমি বাঁধা দিলাম না। নিজের মনকে বোঝালাম।

 "আমি কি এজন্যই ডাকিনি তামিমকে?"

ছোট রুমের চার দেয়ালের মাঝে নর-নারীর আদিম সুখে ভাসতে ভাসতে ভাবলাম,"এটাই হয়তো জীবন। কিসের ভালোবাসা? ভালোবাসা আবার আছে নাকি? ভালোবেসে যে ঘর বেঁধেছিলাম সে ঘর যখন টিকলো না,। তবে এ জীবনে, আর; ও মুখো হওয়ার দরকার কি?"

আমিও তামিমকে ভালোবাসার রঙে ভেজাতে ভেজাতে; মনে মনে বললাম, তামিম তুমি স্বীকার না করলে কি হবে! আমি তো জানি, তুমি যেমন আমার; তেমনি অন্য কারোও। বিশ্বাস করো তামিম, তাতে আমার বিন্দুমাত্র অসুবিধা নেই। আমার ডাকে সাড়া দিয়ে এসে ভালোবাসি বলে, যেটুকু দাও; সেটুকুই আমি চাই। এর বেশি তোমাকে আমার প্রয়োজন নেই। সম্পর্কের নামে অধিকার, প্রয়োজন, দায়িত্ববোধ আর ভালোবাসা গুলিয়ে ফেলে; রিয়াদের মত তোমাকে হাড়াতে চাই না। জীবন থেকে শিখেছি, ভালোবাসাটাই আমাদের জীবনে বড় বেশি প্রয়োজন!" বেইমানের মতো, বড্ড অসময়ে চোখের কোনটা ভিজে উঠলো।

The Mystic Man

 

||  Bengt O Björklund  || 

 

The artist, journalist, photographer, writer, musician and editor Bengt O Björklund was born in Stockholm 1949. In 1968 he landed in jail in Istanbul for $ 20 worth of hash and met a bunch of international artists, poets and musicians. It was then he embarked on his artistic voyage as well as learning to cook, do yoga and generally get a life.The source of his inspiration in Turkey was his Japanese friend, the artist Koji Morrishita and the Italian artist, poet, and Dadaist Antonio Rasile.

The character Erich in the movie Midnight Express is based on Bengt. He has published 7 books of poetry, two are written in English. His third English poetry collection is due very soon in Colorado.

Bengt was recently awarded Sweden Beat Poet Laureate by the National Beat Poetry Foundation Inc. and will receive his honour in Connecticut on September 1.

 

 

The Mystic Man

- Bengt O Björklund

 

I am the mystic man

wrapped in bandages of old

risen by words that sky soar

always the one on top

daring the best of our time

to seal the pact of continuance

 

roamed I am wired and lost

bound by the chimneys of this world

streamed screamed and beamed

like a beacon in the early sky

shining profusely I am

where I will matter

 

last night I dreamed of you

moving towards your first birthday

I held you in my arms

and I whispered silly things

into your small ear

life is funny that way

 

April snow falls in my deep pocket

a soft breeze folds morning

into birds awaiting springtide

bulbs crouch in wind harsh

today will be the day

I leave a manuscript for you.

SWEET LULLABY OF LOVE

Dr. Hasan Erkek, a poet, a playwright and a professor of drama. He has been awarded more than 20 prizes. He published 25 artistic and scientific books in 13 different countries (Turkey, France, Spain, Germany, Russia, Croatia, Armenia, Georgia, Bulgaria, Romania, Albania, Azerbaijan, Hong Kong).

His works in his academic career have focused on the art of drama. His plays were performed by more than 40 theatres from different countries, including primarily Turkish national theatres. Furthermore, he wrote radio plays (approximately 20 radio plays were broadcast by national radios in Turkey) and film scripts (some of them were filmed).

One of his specialization fields is theatre for children and young people. Hasan Erkek took part and presented papers in many international theatre festivals and symposiums. He has more than a hundred articles published in various journals and newspapers.

 He has been giving play reading, dramaturgy, dramatization, creative writing, drama techniques and contemporary theatre courses in various departments of universities.

 Hasan Erkek has worked as an Executive Board Member and Vice-president in ASSITEJ Turkey, and the president of Turkish Playwrights and Play Translators Association as well as the Head of the Department of Performing Arts at Anadolu University.

 

 

 

SWEET LULLABY OF LOVE

 -Hasan Erkek

Translated by Numan Kılıç and Jonathan Ross

 

I

 Come knock on my door every morning

bringing the scent of bread and flowers

become a sweet hum and glide inside

dissolve the gloom in the room

caress the ruminative, resentful books,

 shaking and waking them up to love

 

II

 What would you say if I

 dabbed a drop of happiness on your lips, then with each kiss

let it grow and spread to your whole body?

 

III

What if I made my dreams a pillow for you to lean on

 if I set up a swing in the most vivacious corner of your voice

if I swayed back and forth between love and passion?

LUDWIG STEINHERR was born in Munich in 1962, where he still lives, and studied philosophy at the University of Munich (writing an M.A. thesis on Hegel’s Wissenschaft der Logik and a much-noted doctorate on Hegel and Quine, “Holismus, Existenz und Identität”. Ein systematischer Vergleich zwischen Quine und Hegel). He is now a free-lance writer and lecturer in philosophy at the University of Eichstätt. Steinherr has worked as an essayist, a reviewer, a juror, a translator (of Michael Hamburger, for example), and as an editor, co-founding the influential journal Das Gedicht (The Poem) with Anton G. Leitner in 1993. But it is as a poet that he has written his way into the front rank of contemporary German writers, one milestone here being the selection of his poem Legend (Sage) as “Gedicht des Jahres” (‘Poem of the Year’) by the Autoreninitiative Köln in 1987. The present selection is based on the nine collections published in the twenty years following his early debut, Fluganweisung, in 1985; since thten, he has published two further books of poetry:Von Stirn zu Gestirn(Munich: Lyrikedition, 2000, 2007) and Kometenjagd (Munich: Lyrikedition, 2000, 2009). Steinherr’s poems have also been published widely in magazines and anthologies in Germany and abroad (in Raymond Hargreaves’ Young Poets of Germany, Forest Books 1994, for instance, or in the 1994 Agenda German Issue edited by Michael Hamburger and Richard Dove), have received a number of awards – including the Leonce-und- Lena-Förderpreis (1993), the Buchpreis des Verbandes Evangelischer Büchereien (1999) and the Hermann-Hesse- Förderpreis (1999) – and have been translated into various languages, including French and Czech. Steinherr was elected a fellow of the Bayerische Akademie der Schönen Künste (Bavarian Academy of Fine Arts) in 2003.

 

AGAIN AND AGAIN…

Again and again

there’s the

apple the

hand that keeps

reaching out

there’s the

look

the bite

the naked

knowledge

Again and again

we’re

expelled

from a garden

that never

 

THE INNOCENCE OF STONE

 In stone too

a source is flowing

a tree is sleeping

the possibility of life throbs

already the thought is lurking

which knocks stones into shape

which seeks out sources

uproots trees

makes life

impossible to live.

 

STUCCO

What’s coming into being there

light from light

what’s growing forth

out of church-ceilings monastery-walls

acanthus tendrils sea-shells blossoms

and angels’ faces

secret recipes concocted

over long winters

lime water beer hibiscus root

animal bristles and curdled milk

stirred into the plaster

what’s coming into being there

lying down in draughts

coughs rheumatism dropsy

what’s growing forth

light from light

and how it begins

at night sleepless covered in sweat

in between nightmares

and dawn’s dank fingers

the way it appears

from out of the ceiling

trumpets of light

in the midst of darkness.

 

-Translated by Richard Dove. 

*Copyright by ARC PUBLICATIOS, Todmorden, UK, 2010.

Remember me

Dalila Hiaoui, a Moroccan national living in Rome, Poet, Writer, and director of the bilingual cultural magazine "SALOTTO CULTURALE " (the CULTURAL SALOON )for literature, Art and Education, she is a Teacher of Arabic language and culture with the UNITED NATIONS AGENCIES and the International University UNINETTUNO, as well as an Arabic proofreader and editor with the UNITED NATIONS AGENCIES. she has also a diplomatic experience as a Press translator and a Secretary.

She has 21 publications in Arabic, Italian, English, Mandarin, Serbian and Albanian languages as author and co-author (poetry, novels, prose, play, ect) and she presents the multilingual cultural salon "J’nan Argana" twice a month.

 

 

Remember me

 -Dalila Hiaoui

 

Remember me

when I'm far from your eyes,

Remember me

when my fingers touch your hands,

Remember me

when words overflow or dry

on your lips

Remember me

when I'm close and when I'm far

during my lifetime

or on the edge of the grave

Remember me

when a country joins us

or when vast expanses

or the dunes of deserts separate us

Remember me

Remember me

you who took my mind

and made me crazy,

you who diverted my path to your path,

I willingly changed my destiny

to stay by your side.

Remember me

in the morning and at night

Remember me with desire and faithfulness

or with hypocrisy and falsehood

Remember me. 

Page 5 of 6

লেখা পাঠাবার নিয়ম

মৌলিক লেখা হতে হবে।

নির্ভুল বানান ও ইউনিকোড বাংলায় টাইপকৃত হতে হবে।

অনুবাদ এর ক্ষেত্রে মুল লেখকের নাম ও সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি দিতে হবে।

আরো দিতে পারেন

লেখকের ছবি।

সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি।

বিষয় বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অঙ্কন চিত্র বা ছবি। 

সম্পাদক | Editor

তারিক সামিন

Tareq Samin

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

লেখা পাঠাবার জন্য

ইমেইল:

This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 

We use cookies to improve our website. Cookies used for the essential operation of this site have already been set. For more information visit our Cookie policy. I accept cookies from this site. Agree